প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে দলবদলের বাজার কাঁপিয়ে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া ইয়ান দিওমান্দেকে নিয়ে উন্মাদনার অন্ত ছিল না। তবে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়ার পরও আলো ছড়াতে ব্যর্থ হন এই আইভরিয়ান উইঙ্গার। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে হোসে মরিনহোর রিয়াল ৪-১ গোলের বড় জয় পেলেও দর্শকদের ক্ষোভ এবং শিস থেকে রেহাই পাননি ফুটবলাররা।
ঘরের মাঠে এত বড় জয়ের পর উল্লাসের পরিবর্তে গ্যালারিজুড়ে অসন্তোষের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আলভারো কারেরাসের গোলে প্রথমার্ধেই মাদ্রিদ চালকের আসনে বসেছিল। জুড বেলিংহামের উপস্থিতি এবং ২১ মিনিটের মধ্যে ৩-০ গোলের ব্যবধান একপেশে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু রিয়ালের মাঠের ফুটবল কট্টর বার্নাব্যু সমর্থকদের মন ভরাতে পারেনি।
বিশেষ করে বেতিসের কাছে সাম্প্রতিক হারের ক্ষত এবং ইন্টার মিলান ম্যাচে পারফরম্যান্সের খাঁজ এখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে রায়োর ক্যামেলো গোল শোধ দেওয়ার পর এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ভুলে ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন গ্যালারি বাঁধ ভাঙা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। একের পর এক বিদ্রূপাত্মক শিসে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকা দিওমান্দে লা লিগার ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল ফুটবলার হিসেবে বার্নার্দো সিলভা ও রুডিগারদের সঙ্গে একাদশে নামলেও পুরো ম্যাচে কার্যত ‘অদৃশ্য’ ছিলেন। তার নিষ্ক্রিয়তা বার্নাব্যুর দর্শকদের হতাশাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। শেষ দিকে থিবো কোর্তোয়া কয়েকটি চমৎকার সেভ না করলে এবং এমবাপ্পে রিয়ালের হয়ে চতুর্থ গোল না করলে বিপদের মাত্রা আরো বাড়তে পারত।
কাতালান দৈনিক ‘স্পোর্ত’-এর মতে, কেবল জয় নয়, মরিনহোর রিয়ালের কাছ থেকে ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিনন্দন ফুটবল দেখতে চায় সমর্থকরা। রায়োর বিপক্ষে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পাওয়ার পরও গ্যালারির অসন্তোষ স্পষ্ট করে দিল, মরিনহো এবং তার আনা নতুন তারকারা বার্নাব্যুর প্রত্যাশার চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন