প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এই হামলা মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে অবস্থিত ভবনটিতে সংঘটিত হয়, যার ফলে আগুন লেগে যায়। তবে, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানায়, হামলার পর সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
আল-জাজিরা সংবাদমাধ্যম জানায়, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হুতি গোষ্ঠী এই পাল্টা হামলা চালায়।
হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি পূর্বে সতর্ক করে বলেছিলেন, সানায় হামলা চালানো হলে রিয়াদে ‘কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক’ জবাব দেওয়া হবে। তারা সৌদি আরবের জাতীয় তেল কোম্পানির সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে উল্লেখ করে সেখানকার কর্মী ও বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মূলত হুতিদের নিয়ন্ত্রিত সানা শহরের আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় তেল স্থাপনা থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর সেখানে বিমান হামলা চালানো হয়।
আল-জাজিরার সাংবাদিকদের তথ্য অনুযায়ী, রাস ইসা বন্দর এবং হোদেইদা প্রদেশের তেল স্থাপনাতেও সৌদি আরব হামলা চালিয়েছে।
সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকির দাবি, হুতিরা এসব স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ডিপোকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভান্ডার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে ইয়েমেনের তেল কোম্পানি আগেই জানিয়েছিল, তাদের তেল সংরক্ষণাগারগুলো খালি থাকায় সৌদি হামলায় তেলের মজুত বা সরবরাহে তেমন প্রভাব পড়বে না। যদিও হামলার পর আতঙ্কে সানার কয়েকটি পেট্রলপাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন