প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘পাঁচ দিন আগে আমার সন্তানের লাশ পাওয়া গেছে। আসামিরা আমার সামনে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে। অথচ জড়িতরা এখনো গ্রেপ্তার হচ্ছে না।’ নিহত শিক্ষার্থী তারেক রহমানের মা নাসিমা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে এভাবেই বিচার চেয়ে কথা বলছিলেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদীর রায়পুরা থানা প্রাঙ্গণে তারেক রহমান হত্যার বিচার ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসিমা আক্তার আরও বলেন, ‘আমার সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে চাই। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানাচ্ছি।’
দুপুরে থানা প্রাঙ্গণে শত শত নারী-পুরুষ অবস্থান নিয়ে তারেক হত্যার বিচার দাবি করেন। এসময় তারা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ ও ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই’ সহ নানা স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে নিহত তারেক রহমানের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। পরে রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টিএম ফরিদুল আলম জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
জানা যায়, নিহত তারেক রহমান রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ভেলুয়ারচর এলাকার মালয়েশিয়াপ্রবাসী জিয়াউর রহমানের ছেলে। গত ১৫ অক্টোবর বাড়ি থেকে সাইকেল নিয়ে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের চার দিন পর, ১৯ অক্টোবর ভেলুয়ারচরের একটি খালের পাড় থেকে তারেকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়। বর্তমানে মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কর্মসূচিতে উপস্থিত নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে মানববন্ধনসহ অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।
রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টিএম ফরিদুল আলম জানান, ‘তারেক হত্যার ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন