০৯:২০ এম
বাংলাদেশের প্রথম নারী চিকিৎসক অধ্যাপক জোহরা বেগম কাজীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ নভেম্বর। এই সংগ্রামী নারী নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং সেবার মহান ব্রতে দীক্ষিত হয়ে আজীবন আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে গেছেন।
জোহরা কাজীর পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের কালকিনি থানার গোপালপুর গ্রামে অবস্থিত। ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর তার জন্ম হয়। ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী জোহরা ১৯৩৫ সালে দিল্লির হার্ডিং মহিলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে শীর্ষস্থান অধিকার করে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় পদক অর্জন করেন।
আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি
তিনি জনসেবা ও সমাজকল্যাণকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে মহাত্মা গান্ধীর ‘সেবাশ্রমে’ চাকরিজীবন শুরু করেন। দেশভাগের পর ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করার পর, তিনি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাতিরদিয়ার জমিদারপুত্র রাজুউদ্দিন ভূঁইয়ার (এমপি) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগদান করেন। সেই সময় মেডিক্যাল কলেজে পৃথক ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগ বিভাগ ছিল না।
ফলে, পুরুষ চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে হতো। অনেকেই এতে অনাগ্রহী হওয়ায় অকালমৃত্যুর ঘটনাও ঘটত বেশি। জোহরার ঐকান্তিক চেষ্টায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে মিটফোর্ড হাসপাতালে স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
আরও পড়ুন: পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রানু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন