ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আজ বাংলাদেশে প্রথম নারী চিকিৎসক জোহরা বেগম কাজীর মৃত্যুবার্ষিকী


আজ বাংলাদেশে প্রথম নারী চিকিৎসক জোহরা বেগম কাজীর মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশের প্রথম নারী চিকিৎসক অধ্যাপক জোহরা বেগম কাজীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ নভেম্বর। এই সংগ্রামী নারী নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং সেবার মহান ব্রতে দীক্ষিত হয়ে আজীবন আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে গেছেন।

জোহরা কাজীর পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের কালকিনি থানার গোপালপুর গ্রামে অবস্থিত। ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর তার জন্ম হয়। ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ছোটবেলা থেকেই মেধাবী জোহরা ১৯৩৫ সালে দিল্লির হার্ডিং মহিলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে শীর্ষস্থান অধিকার করে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় পদক অর্জন করেন।

আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি

তিনি জনসেবা ও সমাজকল্যাণকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে মহাত্মা গান্ধীর ‘সেবাশ্রমে’ চাকরিজীবন শুরু করেন। দেশভাগের পর ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করার পর, তিনি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাতিরদিয়ার জমিদারপুত্র রাজুউদ্দিন ভূঁইয়ার (এমপি) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগদান করেন। সেই সময় মেডিক্যাল কলেজে পৃথক ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগ বিভাগ ছিল না।

ফলে, পুরুষ চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে হতো। অনেকেই এতে অনাগ্রহী হওয়ায় অকালমৃত্যুর ঘটনাও ঘটত বেশি। জোহরার ঐকান্তিক চেষ্টায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে মিটফোর্ড হাসপাতালে স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

আরও পড়ুন: পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রানু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিটেনে অভিবাসীদের ধরতে জনসমাগমে মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


ব্রিটেনে অভিবাসীদের ধরতে জনসমাগমে মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে আরো কঠোর করার লক্ষ্যে জনসমাগমস্থলে মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রেলস্টেশন, পরিবহনকেন্দ্র এবং বড় জনসমাগমের অনুষ্ঠানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে খোঁজা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে দেশটিতে অবস্থানকারী এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া প্রবেশকারী ব্যক্তিদেরও এই নজরদারির আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রযুক্তিটির ব্যবহার নির্দিষ্ট আইনগত উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। তথ্য সুরক্ষা এবং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সতর্কবার্তা যাচাই করার বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা প্রথম প্রকাশিত হয় ৫ নভেম্বর ২০২৫। এরপর ২৮ জানুয়ারি, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৪ এপ্রিল ও ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নীতিমালার হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ২২ অক্টোবর প্রযুক্তির ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষা মূল্যায়ন নথিও প্রকাশ করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেনে বৈধ ভিসা নিয়ে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের জন্য এই পরিকল্পনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অপরাধ বা গ্রেপ্তারের বিধান তৈরি করছে না। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে এবং যাদের আইনগতভাবে খোঁজা হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গত ৪ নভেম্বর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম লিবার্টি ইনভেস্টিগেটসও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। সরকারের নথিতে এ কর্মসূচিকে সাধারণ অভিবাসন আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি কিংবা বহিষ্কারাদেশ থাকা ব্যক্তিদের নয়, বরং অভিবাসন আইনের শর্ত অমান্যকারী ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নতুন পরিকল্পনায় যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ রয়েছে, অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধে আদালতের পরোয়ানা রয়েছে কিংবা যাদের আইনগতভাবে আটক বা বহিষ্কারের জন্য খোঁজা হচ্ছে, তাদের মুখের ছবি নির্দিষ্ট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। প্রবেশ বা অবস্থানের শর্ত অমান্যকারী এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া যুক্তরাজ্যে পুনরায় প্রবেশের চেষ্টা করছেন—এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করার লক্ষ্যও রয়েছে। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হলেই প্রত্যেক ব্যক্তির মুখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই তালিকায় যুক্ত হবে, এমন সিদ্ধান্তের কথা সরকারি নথিতে বলা হয়নি।

প্রযুক্তিটি কিভাবে কাজ করবে: নির্দিষ্ট এলাকায় স্থাপিত ক্যামেরা মানুষের মুখের ছবি ধারণ করে আগে থেকে তৈরি শনাক্তকরণ তালিকার সঙ্গে তুলনা করবে। যদি কোনো ব্যক্তির মুখের সঙ্গে তালিকাভুক্ত কারো সম্ভাব্য মিল পাওয়া যায়, তবে একটি সতর্কবার্তা তৈরি হবে। এরপর প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা সেই মিল যাচাই করবেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করার পর আইনগত ভিত্তি থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ ক্যামেরা নিজে কাউকে গ্রেপ্তার বা বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেবে না।

পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু

যুক্তরাজ্যের উত্তর ওয়েলসের হলিহেড বন্দরে ইতিমধ্যে এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেখানে তিনটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসব পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ড থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, যাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ রয়েছে অথবা অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধে আদালতের পরোয়ানা আছে। পরবর্তী পর্যায়ে পরিবহনকেন্দ্র ও নির্দিষ্ট জনসমাগমপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিটির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে কোন শহর বা কোন স্থানে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগের পাশাপাশি দেশটির সরকার অভিযান, গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও নিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের অধীনে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী বিভাগের বাজেট দ্বিগুণ এবং কর্মীসংখ্যা ৬০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের যুক্তি, প্রযুক্তির সাহায্যে খোঁজ করা ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করা গেলে বাড়ি কিংবা কর্মস্থলে বারবার অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমতে পারে। এতে সরকারি সম্পদের ব্যবহার আরো কার্যকর হবে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বিঘ্ন কমবে। তবে সরকারের এই পরিকল্পনা নিয়ে মানবাধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষাকারী সংগঠনগুলোর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, জনসমাগমস্থলে মুখ শনাক্তকারী প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ফলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে। প্রযুক্তিটি সব জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষের ক্ষেত্রে সমান নির্ভুল না-ও হতে পারে। ভুল শনাক্তকরণের কারণে নিরপরাধ ব্যক্তিরাও অপ্রয়োজনীয় যাচাই কিংবা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হতে পারেন।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরো প্রযুক্তিনির্ভর ও কঠোর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই উদ্যোগকে। তবে প্রযুক্তিটির নির্ভুলতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন তদারকি কতটা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিদানের দলে নতুন মুখ পাবলো পাজিস, ফিরলেন এমবাপ্পে-কোনাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


জিদানের দলে নতুন মুখ পাবলো পাজিস, ফিরলেন এমবাপ্পে-কোনাতে

ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্বিতীয়বারের মতো দল ঘোষণা করেছেন জিনেদিন জিদান। ১৯৯৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই কোচ আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির জন্য ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন।

দলে নতুন মুখ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন একজন। ফিরেছেন রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা ইব্রাহিমা কোনাতে ও অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি। তবে, চোটের কারণে বেশ কয়েকজন নিয়মিত মুখকে দলে রাখতে পারছেন না জিদান।

জিদানের দলে এবার প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন প্যারিস এফসির তরুণ মিডফিল্ডার পাবলো পাজিস। তিনি মার্শেই ও রেনের সাবেক স্ট্রাইকার মিকায়েল পাজিসের ছেলে।

অন্যদিকে, কোনাতে ও চুয়ামেনির সঙ্গে দলে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেও। প্রথম ম্যাচে চোট পাওয়ার কারণে নেশনস লিগের বাকি তিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার এমবাপ্পে। এছাড়া, আগের ক্যাম্পে অভিষেক হওয়া গিয়োম রেস্তে, অ্যান্ডি দিয়ুফ, জেরেমি জাকে, লেনি ইয়োরো ও লুকা দা কুনহা জায়গা ধরে রেখেছেন।

চোটের কারণে দলে নেই উইলিয়াম সালিবা, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, মানু কোনে, উসমান দেম্বেলে ও মাগনেস আকলিউশ। এ ছাড়া, বাদ পড়েছেন স্ট্রাইকার এস্তেবান লেপাউলও। তাদের অনুপস্থিতিতে ইন্টার মিলানের ফরোয়ার্ড মার্কাস থুরামের জন্য জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

২৩ সদস্যের দলে আক্রমণভাগে এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও দেজিরে দুয়েদের মতো তারকাদের রেখেছেন জিদান। এবার তাদের নিয়েই আন্তর্জাতিক বিরতিতে নিজেদের শক্তির পরীক্ষা দেবে ফ্রান্স।

আগামী ১২ নভেম্বর মিলানের সান সিরোতে ইতালির মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। এরপর ১৫ নভেম্বর বোর্দোর স্তাদ আতলান্তিকে তুরস্কের বিপক্ষে খেলবে ফরাসিরা। উয়েফা নেশনস লিগের এ১ গ্রুপে তিন জয় ও এক ড্র নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে আছে দলটি।

ফ্রান্সের স্কোয়াড :

গোলরক্ষক :

মাইক মেইনিয়ান (মিলান), গিয়োম রেস্তে (তুলুজ) ও রবিন রিসের (লাঁস)

ডিফেন্ডার :

অ্যান্ডি দিয়ুফ (ইন্টার মিলান), মালো গুস্তো (চেলসি), জেরেমি জাকে (লিভারপুল), পিয়েরে কালুলু (জুভেন্টাস), ইব্রাহিমা কোনাতে (রিয়াল মাদ্রিদ), আদ্রিয়েন ত্রুফের (বোর্নমাউথ), দায়োত উপামেকানো (বায়ার্ন মিউনিখ) ও লেনি ইয়োরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)

মিডফিল্ডার :

এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা (রিয়াল মাদ্রিদ), রায়ান চেরকি (ম্যানচেস্টার সিটি), লুকা দা কুনহা (কোমো), আদ্রিয়েন রাবিও (মিলান), অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি (রিয়াল মাদ্রিদ) ও ওয়ারেন জাইরে-এমেরি (পিএসজি)।

ফরোয়ার্ড :

ব্র্যাডলি বারকোলা (লিভারপুল), দেজিরে দুয়ে (পিএসজি), কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ), মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ), পাবলো পাজিস (প্যারিস এফসি) ও মার্কাস থুরাম (ইন্টার মিলান)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুমিনের জীবনের আত্মজিজ্ঞাসা: আল্লাহর স্মরণ ও মানুষের অধিকার আদায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


মুমিনের জীবনের আত্মজিজ্ঞাসা: আল্লাহর স্মরণ ও মানুষের অধিকার আদায়

যদি কেউ জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য থেকে বিমুখ থাকে, তবে সে কি কখনো সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য মনোযোগী হবে? যদি তার অন্যমনস্কতা ইচ্ছাকৃত না হয়, তাহলে কখন তার কাছে সেই লক্ষ্য অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে? কখন তা তার চিন্তা ও মনোযোগকে আচ্ছন্ন করবে এবং জীবনের উদ্দেশ্যে পরিণত হবে?

যদি কেউ আল্লাহর স্মরণ ও আনুগত্য থেকে উদাসীন থাকে, অথচ তা অনিচ্ছাকৃত হয়, তাহলে কখন আল্লাহর ইবাদত ও সন্তুষ্টি অর্জনে আত্মনিয়োগ করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে? কখন তা তার চিন্তা ও মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হবে?

যদি কেউ নিজের দ্বিন ও ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে উদাসীন থাকে, অথচ তা অনিচ্ছাকৃত হয়, তাহলে কখন দ্বিনের খিদমত ও বিধি-বিধান পালনে মনোযোগী হওয়া তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ নফল ইবাদত থেকে দূরে থাকে, তাহলে কখন নফল ইবাদতে মনোযোগী হওয়া তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আখলাক অর্জনে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন সেগুলো নিজের জীবনে ধারণ করা তার চিন্তা ও সাধনার বিষয় হয়ে উঠবে?

যদি কেউ কোরআন তিলাওয়াত থেকে দূরে থাকে, তাহলে কখন কোরআন পাঠ ও তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ স্ত্রীর প্রতি মনোযোগ দিতে অবহেলা করে, তাহলে কখন জীবনসঙ্গিনীর যত্ন নেওয়া, তাঁর খোঁজখবর রাখা এবং তাঁর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ স্বামীর প্রতি মনোযোগ দিতে অবহেলা করে, তাহলে কখন জীবনসঙ্গীর যত্ন নেওয়া, তাঁর খোঁজখবর রাখা এবং তাঁর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ পাপাচার ও গুনাহ থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন গুনাহ পরিত্যাগ করা তার চিন্তা ও সাধনার বিষয় হয়ে উঠবে?

যদি কেউ মানুষের অধিকার ও পাওনা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন মানুষের হক আদায় করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন অনুশোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনা করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ আখিরাতের চিন্তা থেকে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণ করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ নিজের জীবনের শেষ পরিণতি এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি থেকে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন সেই পরিণতির কথা চিন্তা করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ নিজের দোষত্রুটি ও ভুলভ্রান্তি সম্পর্কে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন সেগুলো খুঁজে বের করা, সংশোধন করা এবং আত্মসমালোচনা করা তাকে ভাবিয়ে তুলবে?

যদি কেউ আল্লাহর জিকির, ইস্তিগফার এবং নবীজি (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ থেকে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন এসব আমলে অভ্যস্ত হওয়া তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যদি কেউ মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক অবস্থা ও কল্যাণের ব্যাপারে উদাসীন থাকে, তাহলে কখন তাদের সমস্যা, সংকট ও কল্যাণের বিষয়ে চিন্তা করা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

যে ব্যক্তি জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য থেকে বিমুখ হয়ে পড়ে, সে একসময় নিজেকেই ভুলে যায়।

যে ব্যক্তি জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য থেকে উদাসীন থাকে, সে সব ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়। যে ব্যক্তি জীবনের প্রকৃত লক্ষ্যকে অবহেলা করে, সে একসময় তার কাঙ্ক্ষিত সবকিছুই হারিয়ে ফেলে। আর যে ব্যক্তি তার রবের স্মরণ থেকে উদাসীন হয়ে পড়ে, সে প্রকৃতপক্ষে নিজেকেই আল্লাহর স্মরণ থেকে বঞ্চিত করে।

মহান আল্লাহ জীবনের প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আটক

চাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের পুরান বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে নাছির উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। একই সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। তবে আটক ব্যক্তিদের সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চাঁদপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এদিকে শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত ‘৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের এ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাদিরা নূর জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়েছে। জেলাজুড়ে অভিযান এখনো চলমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%