প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে থেমে নেই জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। দলটি বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) এক বিবৃতিতে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন।
তিনি মন্তব্য করেন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি জনগণের জন্য ক্ষতিকর।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকার সাধারণ মানুষের পকেট কাটার চরম নিষ্ঠুর খেলায় প্রবৃত্ত হয়ে পড়েছে। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বড় ধরনের জুলুম করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে এবং বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি সেটাকে আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।
গোলাম পরওয়ার আবার বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষির উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে কলকারখানাগুলো, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কৃষি খাতে স্থবিরতা আসবে। চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত কখনোই সম্ভব হত না।
বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও লুটপাট বন্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণবিরোধী ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। এ দাবিতে ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ৪ জুন বিকেল পাঁচটায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন