প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারো ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবারের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহে ফ্লোরেস অঞ্চলে এটি একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প। এর আগে সোমবার, ১৭ আগস্ট, জার্মানির জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, ৫ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেটিরও উৎপত্তি হয়েছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার নিচে।
সোমবারের কম্পনটি আসে তার মাত্র দুই দিন পর, যখন শনিবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। ওই ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ফ্লোরেসে অন্তত ৫৩ জন নিহত হন।
একাধিক ভূমিকম্পের ফলে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৯০০টির বেশি বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও প্রায় ৪৫০টি ঘরবাড়ি। ফলে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে হয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহত হয়েছেন ১৩৫ জন। শুধু ফ্লোরেস অঞ্চলেই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের সংখ্যা অন্তত ২৪১টি।
নতুন ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পরবর্তীতে সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণকর্মীরা দুর্গতদের মধ্যে চাল, প্রস্তুত খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও ওষুধ বিতরণ করছেন। বাস্তুচ্যুতদের থাকার জন্য বিভিন্ন স্থানে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে। সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন