প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি সংবাদ কখনো কখনো শুধু খবর হয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে একজন সংগ্রামী মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের প্রতিবন্ধী তরুণ শাহিন খানের চাকরির দীর্ঘ সংগ্রাম নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির নজরে গেলে শাহিনের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি।
সংবাদটি প্রকাশের পর প্রথমে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শাহিনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির নির্দেশনায় তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নূরুল ইশরাক শাহিনের বাড়িতে গিয়ে সরাসরি তার ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।
এ সময় নূরুল ইশরাক শাহিনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তিনি শাহিনের পারিবারিক অবস্থা, শিক্ষাজীবন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর মর্মান্তিক ঘটনা, সরকারি চাকরির বিভিন্ন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বারবার বঞ্চিত হওয়ার কষ্টের গল্প মনোযোগ দিয়ে শোনেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত হন।
প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম শাহিনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপযুক্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সেখানে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে তার যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।
দীর্ঘদিনের হতাশার মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ শাহিন ও তার পরিবারের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন আন্তরিক সহযোগিতা একজন মেধাবী ও অসহায় তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, শাহিন খান সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পরও জীবনযুদ্ধ থেকে পিছিয়ে যাননি। অসীম প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি একের পর এক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং একাধিক লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু শেষ ধাপে বারবার বাদ পড়ায় তার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।
স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু শাহিনের জন্যই নয়, সমাজের অসংখ্য সংগ্রামী মানুষের জন্যও আশার বার্তা। এখন সবার প্রত্যাশা, প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবে রূপ নেবে এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পর শাহিন একটি সম্মানজনক চাকরির মাধ্যমে নতুন জীবনের সূচনা করতে পারবেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের পক্ষ থেকে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নুরুল ইসরাক কুলিয়ারচরের প্রতিবন্ধী তরুণ শাহিন খানের বাড়িতে গিয়ে তার ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন