প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একত্রে প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলারের শুল্ক কমানোর উদ্যোগ গ্রহণে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে হওয়া আট দফা সমঝোতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিষদ গঠন এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী আলোচনায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য অগ্রগতি আনার বিষয়েও ঐকমত্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে, বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন নিজেদের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ নভেম্বর ওই যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বুধবার জানান, মেয়াদ বাড়ানোর ফলে সম্ভাব্য বড় ধরনের বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তুতির জন্য দুই দেশকে আরও সময় দেওয়া হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শুক্রবার শেষ হওয়া শি জিনপিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বৈঠকে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তির চেয়ে দুই নেতার ব্যক্তিগত পর্যায়ের যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেন, শি জিনপিংয়ের এই সফর চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল ও গঠনমূলক করেছে। তিনি আরও বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
এআই নিয়ে নভেম্বরে সংলাপ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও ঝুঁকি নিয়ে আগামী নভেম্বরে আলোচনা করতে সম্মত হয়েছে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য একটি বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থার সূচনা করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে দুই দেশ।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির মধ্যে নতুন উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে পারস্পরিক সমঝোতা তৈরিতেও কাজ করবে বেইজিং এবং ওয়াশিংটন।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও দুই নেতা কয়েকটি বিষয়ে একমত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহারকারী কোনো দেশ বা পক্ষের ওপর শুল্ক আরোপ না করার নীতি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন