প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীনকে ৪ (চার) বছরের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে, তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) পদে যোগদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, সদ্য বিদায়ী উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, চাকসুর পরিচালক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশে নিষ্ঠাবান শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রশাসক হিসেবে স্বীকৃত। তিনি বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায় নেতৃত্বদানকারী একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্বও। ৩৭ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তিনি শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বসহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
বর্তমানে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস (IFESCU) এর গ্রেড-১ অধ্যাপক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস থেকে বন-বাস্তুতন্ত্র ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশন ও জিআইএসভিত্তিক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া, জার্মানির গটিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ে Population Genetics এবং Isozyme Studies বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেছন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডায় জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বন অভিযোজন বিষয়ে তিনি পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩১ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করছেন। অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) সহ গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক স্তরেও তিনি সুপরিচিত। এশিয়া-প্যাসিফিক ফরেস্ট্রি এডুকেশন কো-অর্ডিনেশন মেকানিজম (APFECM)-এর নির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্য এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউশনস (APAFRI)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, বাংলাদেশ সরকারের REDD+ জাতীয় কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজ করেন। তিনি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন