প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুটি দলই ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশের আশপাশে অবস্থিত। পর্তুগাল ৮ নম্বরে এবং ক্রোয়েশিয়া ১৩-তে রয়েছে। তাদের ম্যাচটি নকআউট পর্ব তথা শেষ ৩২-এর। এই ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদ্রিচ মুখোমুখি হচ্ছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে দুজন রিয়াল মাদ্রিদে একসঙ্গে খেলেছেন এবং একসাথে ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। এর মধ্যে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তারা তিনবার টানা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। অন্যান্য অনেক শিরোপাও তাদের অর্জনে রয়েছে। কিন্তু টরন্টো স্টেডিয়ামে এই দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ের গুরুত্ব রয়েছে আরেক কারণে। এই ম্যাচের ফলে তাদের মধ্যে একজনের বিশ্বকাপ যাত্রা এখানেই শেষ হতে যাচ্ছে।
কিন্তু না, রোনালদো এবং মদ্রিচের কেউই বলেননি যে এবারেরটা তাদের শেষ বিশ্বকাপ। তাদের বয়সই চল্লিশের ওপর, একজন হাঁটছেন ৪২-এর দিকে এবং মদ্রিচ সেপ্টেম্বরে ৪১ বছর পূর্ণ করবেন। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তাদের বয়স ৪৪ বছরের ঘর ছাড়িয়ে যাবে। এবং ওই বয়সে যে তাদের আর বিশ্বকাপে দেখা যাবে না, তা অবশ্যই আন্দাজ করা যায়।
এমনকি ম্যাচ শেষ হলে দুজনের কেউ অবসরের ঘোষণা দিতে পারলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বর্তমানে বিশ্বকাপ শেষে মদ্রিচের অবসরের গুঞ্জন চলছে। ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে ২০০৬ সালে তার অভিষেক হয়েছিল। এই তারকার নেতৃত্বেই ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপে সর্বাধিক সফলতা অর্জন করেছে। ২০১৮ সালে তারা রানার্সআপ হয়েছিল এবং ওই আসরে মদ্রিচ হলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।
ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে মদ্রিচের খেলেছে মোট ২০১ ম্যাচ। এটি একটি বিশাল সংখ্যা। তবে রোনালদো সেই সংখ্যার চেয়েও ওপর দিকে আছেন, যিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোল এবং সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডও গড়েছেন। ২৩১ ম্যাচ খেলে তিনি ১৪৫ গোল করেছেন। তার জাতীয় দলের হয়ে মদ্রিচের ৩ বছর পর অভিষেক ঘটে।
নানা কারণে এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। রোনালদো মাঠে নামতে পারেন আত্মবিশ্বাস নিয়ে। ১০ বারের সাক্ষাতে ৭ বার পর্তুগাল জিতেছে এবং ২টি ড্রয়ের বিপরীতে একবার হারেছে। তাছাড়া তার দলের সাথেও রয়েছে তারকা খেলোয়াড়ের ছড়াছড়ি। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা; বর্তমান ফুটবল বিশ্বের তিন সেরা মিডফিল্ডারই রয়েছেন তার দলে। এছাড়াও রুবেন দিয়াজ, দিয়েগো দালত ও জোয়াও ক্যানসেলোর মতো তারকা খেলোয়াড়ও তার দলে আছেন। নুনো মেন্দেজ তো লেফটব্যাক পজিশনে অন্যতম সেরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন