প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি আইন, যা রাশিয়ার তেল ও গ্যাস ক্রয়ের ক্ষেত্রে দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ভারত, যা রুশ জ্বালানির অন্যতম বড় ক্রেতা, এই আইনের আওতায় পড়তে পারে বলে জানাচ্ছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।
গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ বিলটি ২১৪-২১১ ভোটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ অতিক্রম করেছে। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে এই বিলটির চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার পর বিলটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে।
প্রস্তাবিত আইনটিতে রাশিয়ার নেতৃত্ব, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাত এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে মস্কোকে সহায়তা প্রদানকারী ‘ছায়া বহর’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই শুল্কের উদ্দেশ্য হলো রুশ জ্বালানি ক্রয়কারী দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করে মস্কোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানির ফলে দিল্লি-মস্কো সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এর বিপরীতে, রুশ তেল ক্রয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।
গত বছরের আগস্টে রুশ তেল ক্রয়ের কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এর সাথে আগে থেকেই ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক ছিল। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-সংক্রান্ত অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হয় এবং একটি মার্কিন-ভারত বাণিজ্য কাঠামোর আওতায় পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়।
তবে দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি এখনো ঝুলে আছে এবং এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন