প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, মাদকাসক্ত যুবসমাজ কখনো দেশের এবং জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে সক্ষম নয়। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের সামাজিকভাবে বর্জন করা জরুরি। বিপথগামী নেশাগ্রস্ত যুবসমাজকে ইসলামের পথে, আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে হবে, যা দেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। তাহলেই জাতি দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দাউদকান্দি পৌরসভার বারাগাঁও গ্রামে হজরত সারা (রা.) মহিলা মাদরাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ আরও বলেন, আমরা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মত হয়ে অত্যন্ত গর্বিত। ইসলাম মাদক তথা নেশাদ্রব্যকে হারাম ঘোষণা করেছে। সমাজে কোনো ধরনের মাদক গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ৯১ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের বিস্তার অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। মুসলিম ও তিরমিজি শরিফে বর্ণিত বিভিন্ন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু সম্পর্কে নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম।
তিনি আরও বলেন, দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাদ্রব্য বৈধ পণ্যের মতো ছড়িয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয়। এসব মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে সব শ্রেণির মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভূমিকা রাখতে হবে।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, আসুন, আমরা মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বর্জন করি এবং মাদকের ব্যবহার ও কেনাবেচা বন্ধ করে আলোকিত সমাজ গঠন করি।
এছাড়া, কিশোর গ্যাং দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের অভিজাত শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, সদস্যসচিব কাউসার আলম সরকার ও যুবদল নেতা শরীফ চৌধুরী প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন