প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে খেলা হতে পারল মাত্র ৫৬ ওভার। তবে এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই ইংলিশ শিবিরে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন পাকিস্তানি দুই পেসার মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলি।
লর্ডসের চেনা কন্ডিশনে তাদের আগুনে বোলিংয়ে প্রথম দিনেই জো রুটের দল চরম বিপর্যয়ে পড়েছে। স্বাগতিকরা ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৪৮ রানে দিন শেষ করেছে।
বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান। তবে চোট কাটিয়ে ফেরা অধিনায়ক বাবর আজমের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে একদমই সময় নেননি পাকিস্তানি পেসাররা।
২১ ও ২৬ রানের মাথায় ইংলিশদের দুই ওপেনার এমিলিও গে (৮) ও বেন ডাকেটকে (১৭) সাজঘরে ফেরান আব্বাস। কিছুক্ষণ পরেই ফর্মের তুঙ্গে থাকা তারকা ব্যাটার জো রুটকে (৪) এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ইংলিশদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি। লাঞ্চের ঠিক আগে হ্যারি ব্রুককেও (১৫) দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে উল্লাসে মাতেন আলি।
বিরতির পর ড্যান লরেন্স রানআউট হলে স্বাগতিকরা আরও কঠিন চাপে পড়ে।
তবে সেই চরম বিপর্যয় থেকে দলকে কিছুটা টেনে তোলার চেষ্টা করেন জর্ডান কক্স ও জেমি স্মিথ। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনে মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কক্স ১০৫ বলে ৫৫ এবং স্মিথ ৮০ বলে ঝড়ো ৬১ রানের ইনিংস খেলে ফিফটি করেন।
কিন্তু বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামা সালমান আলি আগার এক চোখধাঁধানো ক্যাচে ভাঙে এই ৬৭ রানের জুটি। খুররাম শাহজাদের বলে আউট হন কক্স।
এরপর আবার আলির আঘাত, একই ওভারে ফেরান সেট ব্যাটার স্মিথ ও ওলি রবিনসনকে। আর জোফ্রা আর্চারকে তুলে নিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেটের দেখা পান আব্বাস। পাকিস্তানি ফিল্ডাররা বাকি ৩টি ক্যাচ হাতছাড়া না করলে ইংল্যান্ডের অবস্থা হতে পারত আরও করুণ।
দিনের খেলা আগেভাগেই বন্ধ হওয়ার সময় ২৭ বলে ঝোড়ো ৩৪ রান করে উইকেটে অপরাজিত ছিলেন গাস অ্যাটকিনসন, তার সঙ্গী জশ টাং করেছেন ১ রান। পাকিস্তানের হয়ে আব্বাস ৪টি, আলি ৩টি এবং খুররাম ১টি উইকেট শিকার করে ম্যাচের রাশ পুরোপুরি টেনে রেখেছেন সফরকারীদের হাতে!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন