প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রিটিশ সরকার ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবের অনুরোধের পর এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
সৌদি আরব ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ধরে দক্ষিণ দিকে বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে এবং তাদের হামলা প্রতিহত করার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সৌদি সামরিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য ব্রিটিশ সামরিক উপদেষ্টাদের পাঠানোর বিষয়ে সম্মতিও দিয়েছেন।
সপ্তাহান্তে বাব আল-মান্দেবের কাছে ইয়েমেনের উপকূলের কয়েকটি এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় হুতিরা। এর পর সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা হয়। এই পাইপলাইনটি বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ পরিবহন করে। রয়টার্স জানিয়েছে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন মেরামতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
মিডেল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাব আল-মান্দেব প্রণালি নিয়ন্ত্রণে হুতিদের অগ্রগতির কারণে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বার্নহামকে জানানো হয়েছে যে, এতে ব্রিটেনে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়নি। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও সহায়তা চেয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে গত শনিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘যুক্তরাজ্য সৌদি আরব এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।’
অন্যদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। হুতিদের ঘনিষ্ঠ আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। হামলায় আরো দুজন আহত হয়েছেন।
এর জবাবে গতকাল সোমবার হুতিদের হামলায় সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ শহরে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি জোটের দাবি।
সৌদির সঙ্গে সম্প্রতি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করা পাকিস্তান ও তুরস্ক এখনো হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদিকে সহায়তায় এগিয়ে আসেনি। তুরস্কের এক কর্মকর্তার মতে, চুক্তিটি এখনো কার্যকর না হওয়ায় এর আওতায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন