প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জি আবারও আরও একা হয়ে গেলেন। এবার তার ঘনিষ্ঠ সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু তার হাত ছাড়িয়ে গেলেন।
সাবেক এই মন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার, তিনি তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে।
মমতা ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতা তার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি হাতে লেখা চিঠিতে লেখেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছি। আমার ৩৫০-এর উপর সুগার, কিডনিও খারাপ হয়ে গেছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শে আমার সম্পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন এবং কোনো প্রকার মানসিক ও শারীরিক চাপ নেওয়া সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, দলের জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্য পদের দায়িত্ব পালনে অব্যাহতি চেয়ে নিলাম।
সদ্য শেষ হওয়া ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর সপ্তাহখানেক আগে দলের সাংগঠনিক পদে এক রদবদল করা হয়েছিল। তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটিতে (জাতীয় কর্ম সমিতি) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে স্থান দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই তিনি সেই পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তৃণমূলের অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৯৮ সালে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে সাথে রয়েছেন। ২০১১ সাল থেকে পরপর তিনটি মেয়াদে তিনি হাবড়া আসন থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি গাইঘাটা আসনের বিধায়ক ছিলেন। ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন তিনি। এরপর তিনি বন (ফরেস্ট) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। গত ২ দশকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দলের সংগঠন বিস্তারে জ্যোতিপ্রিয়ের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে এদিনই শিলিগুড়ি পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন গৌতম দেব। পৌর কমিশনার অশ্বিনী কুমার রায়ের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন এই পদত্যাগ, তা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।
২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী হয়েছিলেন গৌতম। ২০১৬ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পর্যটনমন্ত্রী হন। ২০২১ সালের নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনে দাঁড়িয়ে বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হন।
২০২৬ সালে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েও জয় লাভ করতে পারেননি তিনি। বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের কাছে হারেন। এরমধ্যে ২০২২ সালের শিলিগুড়ি পুরনিগমের নির্বাচনে গৌতমের নেতৃত Blindলে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। এখন তারাও হারানোর পথে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন