প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি পদমর্যাদার দলীয় মুখপাত্র ফারুক হাসান মন্তব্য করেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের শহীদ ওসমান হাদি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ সংশ্লিষ্টদের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিক্রিকারী গাদ্দার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ফারুক হাসান দাবি করেন, ওসমান হাদি একইসাথে এসব ব্যক্তির জন্য জনগণের ক্ষমা না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে ফারুক হাসান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শিশু শাখা জাতীয় নাগরিক পার্টির গালিগালাজবিষয়ক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী সম্পর্কে শহীদ ওসমান হাদি মন্তব্য করেছেন যে, ‘এরা হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিক্রিকারী গাদ্দার। আর এই গাদ্দারদের জনগণ যেন ক্ষমা না করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সারজিস আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে! একটি প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের পরিচালক যারা, তারা সরকারের গ্রেডভুক্ত কোনো আমলা নয়। এটা বোঝার জন্য পিএইচডি করার প্রয়োজন নেই, এটি সাধারণ জ্ঞানের মধ্যে পড়ে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হয়ে এবং একটি পার্টির গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে থেকে যদি এ সাধারণ জ্ঞান না থাকে, তাহলে আমাকে বলতে হচ্ছে, সারজিস কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল?’
ফারুকের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বিগত সময়ে ছাত্রলীগের ব্যানারে পরীক্ষা ছাড়াই অবৈধ উপায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকেই প্রবেশ করেছে। বলা যায় না, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সারজিস আলমও সে পথ অনুসরণ করেছিল কি না!’
ঢাবি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে ফারুক লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত সারজিসের ভর্তির পরীক্ষার সময়কার কাগজপত্র পুনঃযাচাই করা। আর সারজিসের প্রতি পরামর্শ, আপাতত রাজনীতি থেকে ইস্তফা দিয়ে পড়াশোনা করো, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন