প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফেনীর দাগনভূঞায় মা ও মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন প্রদান করা হয়েছে এবং একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৫ জুলাই) বিকালে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন হলেন দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। তিনি পলাতক রয়েছেন। এছাড়া, ওই গ্রামের মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ এবং একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাসও দণ্ডিত হয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আজাদ ও নিপু দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদী পাড়ে জেলে বাড়ি অবস্থিত, যেখানে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে কয়েকজন সহযোগীসহ সাইফুল ইসলাম এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনায় বাঁধা দেয়ার কারণে ধর্ষিতার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রীজের উপর এনে ধর্ষণ করেন আজাদ ও নিপু। ঘটনার পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। প্রবাসীর স্ত্রী মামলাটি করেন। পরে দাগনভূঞা থানার এসআই আবদুর রহীম মামলার তদন্ত প্রতিবেদনও দাখিল করেন, যা ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারী জমা পড়ে।
ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি এডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এই মামলায় আদালতে ৭ জনের স্বাক্ষী গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর রোববার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা দিয়েছেন, এছাড়া আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন