প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের লেটিরকান্দা গ্রামে পৈতৃক ভিটা ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন মো. খায়রুল ইসলাম (৪৮)। জমি দখল, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা এসব মামলায় জয়নাল, মোফাজ্জল হোসেন, আবুল বাশার, সেলিম ও দুলাল মিয়াসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
মামলার আরজি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর জীবিকার প্রয়োজনে দীর্ঘদিন গ্রামের বাইরে ছিলেন খায়রুল ইসলাম। সম্প্রতি পৈতৃক ভিটায় বসবাসের উদ্দেশ্যে গ্রামে ফিরলেও বিরোধের কারণে সেখানে বসবাস করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি অন্যত্র চার শতক জমি কিনে বসবাস করছেন।
খায়রুলের অভিযোগ, ১৯৮৮ সালে জয়নাল গং ৯১৬ দাগের ১২ শতক ফসলি জমি কিনলেও পরবর্তীতে ৯১৩ দাগের প্রায় ২৩ শতক পৈতৃক ভিটা দখল করে রাখেন। ওই জমিতে থাকা তাঁর বাবা-মায়ের কবরের আশপাশে গরু-ছাগল বেঁধে রাখার অভিযোগও করেন তিনি।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পৈতৃক ভিটায় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলে জয়নাল, মোফাজ্জল হোসেন, আবুল বাশার ও দুলাল মিয়াসহ কয়েকজন তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেন। এ ঘটনায় প্রথম মামলাটি করেন তিনি। পরে মামলা প্রত্যাহারের জন্য জয়নাল ও সেলিমসহ কয়েকজন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন—এমন অভিযোগে নিরাপত্তা চেয়ে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়।
খায়রুল ইসলাম বলেন, “বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া ভিটায় শেষ বয়সটা শান্তিতে কাটাতে চাই। ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতেই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. সেলিম মিয়া। তিনি বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। দলিলে কিছু ভুলত্রুটি ছিল। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও খায়রুল ইসলাম বসতে রাজি হননি।”
মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের অপেক্ষায় রয়েছেন বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন