ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান


নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে নৌপথে ফেরিঘাটের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ফেরিঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের সময় তিনি ফেরি চলাচল, যানবাহন ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা, ঘাটের সার্বিক অবকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

প্রতিমন্ত্রী ঘাট এলাকায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব মৌসুম ও স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

তিনি এই নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আরিচা-দৌলতদিয়া নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "সরকার এই নৌপথে নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।"

এছাড়া, তিনি ফেরির আধুনিকায়ন কার্যক্রম, ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের জন্য গৃহীত উদ্যোগসমূহের পর্যালোচনা করেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ

এ সময় স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরিচা ফেরিঘাটে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগটি তিনি গুরুত্বসহকারে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেরিঘাটের অ্যাপ্রোচরোডটি অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তাটির প্রকৌশল ডিজাইনেও বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একটি অস্থায়ী রাস্তা, যা প্রতি দুই-তিন মাস অন্তর পরিবর্তন করা হয়ে থাকে।

বিগত ১৯৬৩ সাল থেকে এটি একটি প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত আছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "গণমাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে।"

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক কার্তিক নিহত

তিনি নির্মাণকাজে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, "যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।"

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ, আধুনিক, নিরাপদ ও স্বচ্ছ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

পরিদর্শনের শেষে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে একত্রে কাজ করে যাত্রীসেবা আরও উন্নত, নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি-সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোদাগাড়ীতে এক নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


গোদাগাড়ীতে এক নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব!

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী অঞ্চলে ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর একটি স্থানীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। ৬ নম্বর মাটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এহসানূল কবির টুকুর বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ আঁকড়ে থাকা, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি জমি দখল এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৫ই আগস্টের পর ঢাকা থেকে এসে এলাকার "জেনারেল শরীফ" ও দলীয় পদের প্রভাব খাটিয়ে একাই অন্তত পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ দখল করেছেন তিনি এবং তার পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এহসানুল কবির টুকু প্রেমতলী ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও তার থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভাটোপাড়া বালিকা বিদ্যালয়-এর অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ দখল করে আছেন। বিধি অনুযায়ী দ্রুত নিয়মিত কমিটি গঠনের নির্দেশ থাকলেও ৫ই আগস্ট ২০২৪ থেকে অদ্যাবধি তিনি অ্যাডহক সভাপতি হিসেবেই বহাল রয়েছেন। একই ধারায় প্রেমতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এর অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদটিও তিনি গত বছরের আগস্ট থেকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন, যেখানে নিয়ম ভেঙে নিয়মিত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াকরণ আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

টুকু সাহেবের পিতা মৃত জসিম উদ্দিনের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রেমতলী জসীমউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা যেন এখন একটি পারিবারিক আখড়ায় পরিণত হয়েছে। তিন ভাই-ই স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস করলেও বড় ভাই শিক্ষানুরাগী, মেজো ভাই (যিনি পেশায় চিকিৎসক) সভাপতি এবং টুকু নিজে বিদ্যুৎসাহী সদস্য সেজে পুরো মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে একজন বিশিষ্ট ও শিক্ষিত প্রফেসর থাকা সত্ত্বেও তাকে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে তোয়াক্কা না করে, টুকু সাহেবের একক ইচ্ছায় দুটি ক্ল্যারিক্যাল (করণিক) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রায় ২৬ লক্ষ টাকার বিপুল অঙ্কের 'নিয়োগ বাণিজ্য' হয়েছে বলে এলাকায় জোরালো গুঞ্জন রয়েছে।

সবচেয়ে বড় অনিয়মের চিত্র মিলেছে প্রেমতলী সুখ বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়-এ। ৫ই আগস্টের পর থেকে এই বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ারে বসেন এহসানুল কবির টুকু। এই স্কুলের মালিকানা এলাকায় সবচেয়ে বেশি কৃষিজমির রয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর এই বিপুল পরিমাণ জমির আয়ের কোনো সুষ্ঠু হিসেব মেলেনি। এছাড়া, চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ায় অবস্থান করছেন। কিন্তু সভাপতি ও প্রশাসনের যোগসাজশে প্রতি মাসে তার নামে নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা (MPO) উত্তোলন করা হচ্ছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ে আসা প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকার একটি বিশেষ ফান্ডেরও কোনো হদিস নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের তীর রয়েছে প্রেমতলী ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়-এর দিকেও, যেখানে টুকু সাহেব বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে আছেন। পটপরিবর্তনের পর কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে জোরপূর্বক কলেজ থেকে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত রাখা হয়। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে, মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে ওই একই শিক্ষকদের পুনরায় কলেজে পুনর্বাসন বা ফিরিয়ে আনার গোপন চেষ্টা চালাচ্ছেন বর্তমান সভাপতি। তবে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোজাহারুল ইসলাম বলেন এসব নিউজ করা যাবে না। সামনাসামনি আসলে অনেক কথা বলা যাবে কিন্তু মোবাইলে কথা বলা ঠিক হবে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরেও টুকু সাহেবের থাবা বিস্তৃত হয়েছে স্থানীয় বালুমহালে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গায় গড়ে ওঠা এই বালুমহালের লভ্যাংশের একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রতিবছর স্থানীয় মসজিদে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। মসজিদের সেই জমানো প্রায় ১ লক্ষ টাকা বর্তমানে টুকু সাহেবের কাছে থাকলেও তিনি নানা তালবাহানা করছেন বলে মুসল্লিদের অভিযোগ।

শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও তার লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর মাধ্যমে জোরপূর্বক তীরবর্তী অঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এদিকে, 'কালিদিঘি' নামক স্থানের রিসিভারের প্রায় ৭২ বিঘা সম্পত্তি গত টার্মে টুকু সাহেব বেনামে মাত্র ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় ভোগ করেছিলেন। এবার সেই সম্পত্তি জামায়াতপন্থী দাবিদার একটি ব্যক্তি ডাকের মাধ্যমে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় বরাদ্দ পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হন টুকু। তিনি তার অনুসারী নিয়ে এলাকায় 'মব' (উত্তেজিত জনতা) সৃষ্টি করেন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উস্কানি দেন। এমনকি ওই জমিতে যাতে চাষাবাদ না হতে পারে, সেজন্য স্থানীয় গভীর নলকূপ (ডিপ) অপারেটরকে কৃষকদের পানি না দিতে সরাসরি হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। ডিপ অপারেটর  মিজানুর রহমান বলেন, সকল কাগজপত্রসহ ডিপ বরাদ্দ আমার নামে তা জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছেন টুকু।

এমনকি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান 'গৌরাঙ্গ বাড়ি'-র সম্পত্তি নিয়েও টুকু সাহেব নয়ছয় এবং দখলের চেষ্টা করছেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এহসানুল কবির টুকুর পিতা মৃত জসিম উদ্দিন স্বাধীনতার পর প্রেমতলীতে এসে মানুষের বাড়িতে লজিং থেকে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে ঢাকায় ফরেন পোস্ট অফিসে প্যাকারের চাকরি করাকালীন বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হন এবং ঢাকা ও প্রেমতলীতে শত শত বিঘা জমি কেনেন। বর্তমানে প্রেমতলীতে তাদের নিজস্ব কোনো বাড়ি নেই। ঢাকা থেকে এলাকায় এলে তারা সাবেক মুসলিম লীগ সংসদ সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলামের (টুকুর মামা) ছেলেদের বাড়িতে অবস্থান করেন। ভোটার এলাকার হওয়ায় মূলত ৫ই আগস্টের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে পুরো অঞ্চলে একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম করেছেন তিনি। স্থানীয় সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই সমস্ত অনিয়ম, দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একক ব্যক্তির কবল থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এহসানুল কবির টুকুকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরে ফোন দেওয়া হয়। ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বেগমগঞ্জে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


বেগমগঞ্জে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বেগমগঞ্জ উপজেলার ২ নং গোপালপুর ইউনিয়নের মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও সভাপতি নির্বাচন গত মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিসে আয়োজিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করে মিরওয়ারিশপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল আমিন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব মো. ফজলুল করিম বড় ভূঁইয়া।

সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি জয়ন্ত কুমার ভৌমিক এবং মোসলেহ উদ্দিন সেলিম প্রার্থী হন। পরে মোসলেহ উদ্দিন সেলিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে এসে জয়ন্ত কুমার ভৌমিককে সমর্থন জানালে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন। এদিকে সহ-সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী থেকে সাইদুল হাসান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। তারপর মো. ইউছুপ ও ফয়েজ আহমেদের মধ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৫ ভোট পেয়ে ফয়েজ আহমেদ সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। নবগঠিত ৯ সদস্যের পরিচালনা কমিটি আগামী তিন বছর বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে দায়িত্ব পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা আজিজুল ইসলাম কিরণ, দৈনিক জনকণ্ঠ সংবাদ সংস্থা এফএনএস ও জাগরণী টেলিভিশনের প্রতিনিধি মোঃ নাসির উদ্দিন মিরাজ ভূঁইয়া এবং মো: সেলিম। এ সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক প্রতিনিধি জান্নাতুল নাইমা, মাহবুবুর রহমান, ফাতেমা আক্তার, কামরুন নাহার, মোঃ ইসমাইল, সাবেক মেম্বার খলিলুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা শেষে সভাপতি জয়ন্ত কুমার ভৌমিককে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা জানান, সভাপতি প্রার্থী থেকে সরে দাঁড়ানো স্থানীয় ইউপি সদস্য মোসলেহ উদ্দিন সেলিম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সালেহ-দীপন চ্যাম্পিয়ন ও শহীদ-আবুল রানার্সআপ

কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব

 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব ২০২৬ চলছে। বুধবার (১ জুলাই ২০২৬) অকশন ব্রীজের খেলার সমাপ্তি ঘটে। ডিআরইউর স্পোর্টস রুমে ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেলের উপস্থিতিতে অকশন ব্রীজের সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ডিআরইউ'র সভাপতি ও নয়াদিগন্তের আবু সালেহ আকন এবং ডেইলি ষ্টারের দীপন নন্দী জুটি চ্যাম্পিয়ন হয়। সময়ের কাগজ টুয়েন্টিফোরের শহীদুল ইসলাম ও ২৪ ঘণ্টা টিভির এসএম আবুল হোসেন রানার্সআপ হন। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে দেশ টিভির জাহিদুজ্জামান ও ডেইলি ক্যাম্পাসের তারেক সালমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাত পোহালেই শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


রাত পোহালেই শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা

রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উজ্জ্বল সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু করা হবে।

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। যাতে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে যাতে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিষয়ে শুরু থেকে পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনাও ইতোমধ্যে জারি করেছে শিক্ষা বোর্ড।

এদিকে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে এসে আসন গ্রহণ করা উচিত।

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৮৬৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবারে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবহার করা হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে সব বোর্ডে একই মানদণ্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

দেশব্যাপী সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৪০টি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা, ক্যালকুলেটর ব্যবহার, শৌচাগার তল্লাশি এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ মোট ৩৫টি নির্দেশনা প্রদান করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো কক্ষে দুজনের কম কক্ষপরিদর্শক রাখা যাবে না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করেছে একটি মানদণ্ড। পাঁচ ফুট বাই ছয় ফুট বেঞ্চে সর্বাধিক দুজন এবং চার ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে একাধিক স্তরের ব্যবস্থা। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানার লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার এবং পুলিশের পাহারায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। পরে মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে কোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটি সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোন ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হবে।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—

১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। ২. প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩. ৩০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪. ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। ৫. পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে চলবে। এমসিকিউ ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। ৬. সকাল ১০টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ওএমআর শিট সংগ্রহ করে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। তবে ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় সকাল ১০টা ২৫ মিনিট। ৭. বিকেল ২টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। বেলা ২টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র এবং বেলা ২টা ৩০ মিনিটে ওএমআর শিট সংগ্রহ করে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় হবে বেলা ২টা ২৫ মিনিট। ৮. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯. প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে অন্তত সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। ১০. উত্তরপত্রের ওএমআর অংশে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোডসহ সব তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। উত্তরপত্রের মার্জিনে লেখা বা উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। ১১. তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী এবং ব্যবহারিক—প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। ১২. শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে। অন্য কোনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। ১৩. পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত (নন-প্রোগ্রামেবল) হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। ১৪. শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ১৫. পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনো পরীক্ষার্থীও পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%