প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার বিষখালী নদী তীরবর্তী দৃষ্টিনন্দন ও ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পর্যটনকেন্দ্র ছৈলার চর চত্বরে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মূল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে উৎসবমুখর পরিবেশে রঙ-বেরঙের বেলুন উড়িয়ে দিবসের শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মমিন উদ্দিন। ছৈলার চরের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মমিন উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে ঝালকাঠির পর্যটনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন।
জেলা প্রশাসক এর বক্তব্যে বলেন: প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন "বর্তমান বিশ্ব দ্রুত প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ বছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল লক্ষ্যই হলো ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যটন খাতকে নতুন রূপ দেওয়া। আমাদের ঝালকাঠির পর্যটনকেও এই আধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করতে হবে। "ডিজিটাল প্রচার ও ব্র্যান্ডিং: ছৈলারচরের মতো চমৎকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে আমাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডিং করতে হবে। "নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়ন: "এখানে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো আমাদের প্রধান দায়িত্ব। ছৈলারচরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, লেক সংস্কার ও পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। "অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: "ঝালকাঠির এই পর্যটন সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, যা আমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মো. মকবুল হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে ছৈলার চরের প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা ছৈলা গাছের বন ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে একে একটি পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় প্রশাসনের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে একটি বর্ণিল র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ছৈলার চরের মনোরম পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই মূল আলোচনা সভাটি স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন