প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামে সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যারা চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৫৭টি মোবাইল ফোন, ৫টি ল্যাপটপ, নগদ টাকা এবং মোবাইল ফোনের আইএমইআই পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ মেশিন ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর মনি (৫২), সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল (৩৫), আবু সাঈদ (৩৪), মো. শামীম (২৪) এবং সাইফুল ইসলাম (১৯)।
বৃহস্পতিবার নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মিডিয়া সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং।
কোতোয়ালী থানার ওসি আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে হালিশহর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর মনিকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের মাধ্যমে নন্দনকানন আবাসিক এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলায় অভিযান চালিয়ে মূলহোতা মুহাম্মদ সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল এবং তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ২৪টি আইফোন, ১৩৩টি অন্যান্য ব্র্যান্ডের মোবাইল, ৫টি ল্যাপটপ, ২০১টি মোবাইল সিম কার্ড, ৪৪৫টি মোবাইলের কেসিং, মাইক্রোস্কোপ, মাল্টিপ্লাগ, বিভিন্ন চার্জার এবং আইএমইআই পরিবর্তনের মেশিন সহ ১ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা।
তিনি আরও জানান, আসামিরা বিভিন্ন চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে কম মূল্যে চোরাই মোবাইল সংগ্রহ করে। এরপর উন্নত ডিজিটাল ডিভাইস ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোনের আইএমইআই নম্বর ও কেসিং পরিবর্তন করে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করতো, ফলে অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ফোন সহজে ট্র্যাক করতে পারতেন না। গ্রেফতার আসামিরা প্রত্যেকেই পেশাদার অপরাধী। তাদের মধ্যে মূলহোতা পার্টি সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মোট ৮টি মামলা রয়েছে, এবং জাহাঙ্গীর মনির বিরুদ্ধে রয়েছে ৪টি মামলা। এছাড়া সহযোগী আবু সাঈদের বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। চোর চক্রের বাকি সদস্যদের ধরার জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন