প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভালোবাসা দিবস বা অন্যান্য বিশেষ দিনগুলোতে প্রেমিকাদের খুশি করার জন্য বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। ফুল, চকোলেট, উপহার অথবা বিশেষ বার্তা—প্রেমিকরা তাদের প্রেমিকাকে খুশি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আজ ৩ অক্টোবর একটি ভিন্ন চিত্র। আজকের দিনটি প্রেমিকদের জন্য বিশেষ। কারণ আজ পালিত হচ্ছে ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে।
নতুন সম্পর্ক হোক বা পুরনো, আজকের দিনটি প্রেমিককে কিছুটা বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ। তার প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও ভালো লাগার কথা জানানো এবং একসঙ্গে কিছু সময় কাটিয়ে দিনটি উদযাপন করা যেতে পারে।
কেমন প্রেমিক আপনার?
প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্ব আলাদা, তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেমিকের ধরনও ভিন্ন। কেউ সব সময় নতুন কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, আবার কেউ প্রযুক্তি বা সিনেমা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করতে পছন্দ করেন। কেউ রান্না করে সঙ্গীকে চমকে দিতে ভালোবাসেন, আবার কেউ ফুল নিয়ে হাজির হয়ে ভালোবাসার কথা জানান।
কেউ ভ্রমণপ্রিয়, সুযোগ পেলেই নতুন জায়গায় ঘুরে আসতে চান। কারো আগ্রহ প্রযুক্তি, বই বা সিনেমায়, আবার কেউ খাবার নিয়ে খুব আগ্রহী—প্রিয় মানুষের জন্য নিজের হাতে রান্না করা তাদের কাছে আনন্দের বিষয়।
আর কিছু প্রেমিক আছেন যারা পুরনো ধাঁচের রোমান্টিক। বিনা কারণে ফুল নিয়ে হাজির হওয়া, দরজা খুলে দেওয়া বা প্রিয় মানুষের জন্য গান বা গানের তালিকা তৈরি করা—এসব ছোট ছোট কাজেই তারা ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
প্রেমিকের ধরন যাই হোক, আজকের দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো তাকে বোঝানো যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিভাবে পালন করবেন বয়ফ্রেন্ড ডে?
দিনটি উদযাপনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। তাই বড় কোনো উপহার না দিয়েও বিভিন্ন আয়োজন করা সম্ভব।
প্রিয় মানুষের জন্য ছোট্ট চমক রাখা যেতে পারে। তার পছন্দের রেস্তোরাঁয় নিয়ে যাওয়া, পছন্দের খেলার দলের ম্যাচ বা প্রিয় ব্যান্ডের অনুষ্ঠানের টিকিট দেওয়া, কিংবা বাসায় তার পছন্দের সিনেমা দিয়ে বিশেষ সময় কাটানো হতে পারে।
চাইলে প্রথম ডেটের স্মৃতিও ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। প্রথম দেখা হওয়ার জায়গায় আবার যাওয়া, সেই দিনের স্মৃতি মনে করা বা সম্পর্কের শুরুর গল্প নিয়ে আলোচনা করাও দিনটিকে বিশেষ করে তোলার উপায়।
তবে এসবের কিছুই বাধ্যতামূলক নয়। একটি আন্তরিক বার্তা, ফোনে কিছুটা সময় দেওয়া বা সরাসরি তাকে জানানো—তার উপস্থিতি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ—এটিও হতে পারে বয়ফ্রেন্ড ডের সবচেয়ে সুন্দর আয়োজন।
কিভাবে এলো বয়ফ্রেন্ড ডে?
ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডের সঠিক ইতিহাস এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। দিনটির নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা বা শুরু সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এর উদ্দেশ্য বেশ পরিষ্কার—সম্পর্কের পুরুষ সঙ্গীকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা।
ন্যাশনাল ডে ক্যালেন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, ৩ অক্টোবর দিনটি মূলত প্রেমিককে উদযাপনের একটি অনানুষ্ঠানিক উপলক্ষ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দিনটি নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করা হয়। এদিন অনেকে #NationalBoyfriendDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজেদের ভালোবাসার মানুষটির ছবি বা বার্তা প্রকাশ করেন।
আজকের দিনটি কিছুটা ভিন্ন। সব সময় যখন প্রেমিকাদের জন্য নানা আয়োজন করা হয়, আজ সেই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারেন প্রেমিকও। উপহার বা বড় কোনো পরিকল্পনা নয়, প্রিয় মানুষটির প্রতি একটু বাড়তি যত্ন ও ভালোবাসা আজকের দিনের আসল উদযাপন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন