প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার বটতলা বাজার হয়ে জমাদ্দার হাট বাজারে যাওয়ার সড়কে ৪টি ছোট গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের অভাবে ওই সড়কে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপকূলীয় ও নদী-জলাশয়বেষ্টিত হওয়ায় কাঁঠালিয়া উপজেলায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের কারণে বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে অনেক স্থানে সড়কের অংশবিশেষ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও স্থানীয়দের বাঁশের সাঁকোসহ অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে চলাচল করতে হয়।
বিশেষ করে বটতলা বাজার হয়ে জমাদ্দার হাট বাজারে যাওয়ার সড়কের কয়েকটি স্থানে ছোট গার্ডার ব্রিজ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এ সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। পানি বৃদ্ধি পেলে তাঁদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং অনেক সময় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ রাজিব তালুকদার। আবেদনে তিনি জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে সড়কটির প্রয়োজনীয় স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন ও কারিগরি যাচাই করে জরুরি ভিত্তিতে ৪টি ছোট গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সড়কটির Road ID: 542434093 এবং Location: Koikhali Manik Mia House–Zomadderhat Bazar–Battala Bazar।
আবেদনকারী মোঃ রাজিব তালুকদার বলেন, “এই সড়কটি প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ব্রিজগুলোর অভাবে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও সহজ হবে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দ্রুত গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব হবে। তাঁরা জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন