প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি) ডলারের একটি সম্ভাব্য অস্ত্র বিক্রি প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। কিয়েভের নিরাপত্তা জোরদার করতে রাশিয়ার অব্যাহত বিমান ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্যাকেজে যা থাকছে
এই নতুন প্যাকেজের মূল লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের এয়ার-ডিফেন্স (আকাশ প্রতিরক্ষা) ব্যবস্থার উন্নয়ন, আনুষঙ্গিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান, বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর।
অনুমোদিত বাজেট: প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
মূল মনোযোগ: বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া আলোচনা কিছুটা থমকে যাওয়ার পর এই প্যাকেজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনের ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমঝোতা অধরা থেকে গেছে।
তীব্র রুশ হামলা ও ইউরোপীয় সহায়তা
মার্কিন অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদনের এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নতুন করে গতি পেয়েছে।
জিটোমির ও খারকিভে হামলা: জিটোমির অঞ্চলে সাম্প্রতিক হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন এবং গুদামজাত প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরে যায়। খারকিভ অঞ্চলে একটি ট্রেন স্টেশনে ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও ৬ জন আহত হন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়ন: একই সময়ে ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ডলার) আর্থিক সহায়তা পেয়েছে, যা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ে ব্যবহৃত হবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রাশিয়াও দাবি করেছে যে তারা ইউক্রেনের বন্দর ও সামরিক লজিস্টিক সেন্টারে পাল্টা আঘাত হেনেছে এবং মস্ক অভিমুখে আসা শতশত ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সংঘাত বন্ধে নানা কূটনৈতিক উদ্যোগ চললেও উভয় পক্ষই নিজেদের সামরিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন