প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেটের আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া সাত বাংলাদেশি নাগরিকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার কলকাতার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের মর্গে এই ময়নাতদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সন্ধ্যায় সাতজনের মরদেহ তাদের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা হস্তান্তর করা হয়। হাসপাতাল থেকে ছয়জনের মরদেহ কফিন বন্দি করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়, অথচ একজনের মরদেহ শববাহী গাড়িতে তোলার ব্যবস্থা করা হয়।
তাদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য অন্তর্ভুক্ত। তারা হলেন দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সি সন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শশুর মো. আকরাম আলী।
এছাড়া ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামান এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের রেবতী সরকারের মরদেহও পরিবারের হাতে সফলভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা সেই মরদেহ নিয়ে রাতে কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তাদের ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট (এনওসি) প্রদান করার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী ধাপ হিসেবে ‘ফরেইনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস’ (এফআরআরও)-এর অনুমতিপত্র সংগ্রহ করা হবে। পরে ছয়জনের মরদেহ নিয়ে স্বজনরা বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ সৎকার করা হবে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে।
এছাড়াও, নিহতদের মধ্যে পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত ব্যবহার করে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন