প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মানুষের প্রশ্ন তুলে বলেছেন, জামায়াতের আমির ও নাহিদ ইসলাম কি নির্বাচনে পাস করেছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা রংপুরে অত্যন্ত ভালো রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান এবং নেতাদের জনপ্রিয়তার মধ্যে যদি বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হন, তাহলে কি এটি অবিশ্বাস্য নয়?
সম্প্রতি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট এলাকা পরিদর্শন করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতায় রংপুর জামায়াত দখল করেছে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে রংপুর ও খুলনা বিভাগে প্রশাসনিক সেটআপ এমনভাবে জামায়াতীকরণ হয়েছিল যাতে করে নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিলেও জামায়াতের প্রার্থীকে পাস দেখানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে যে, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। জামায়াতের আমির এই নির্বাচন মেনে নিয়েছেন, বুকে পাথর চাপা দিয়ে। মানুষ প্রশ্ন করে, জামায়াতের আমির এবং নাহিদ ইসলাম কি আদৌ পাস করেছিলেন, নাকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের পাস দেখিয়েছিল?’
রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের আমির ও নাহিদ ইসলাম যে ফলাফল অর্জন করেছিলেন, অর্থাৎ তারা যে পাস করেননি, তা যদি প্রকাশ করা হতো তাহলে তারা নির্বাচনের ফলাফল মানতেন না। এই কারণে ইন্টেরিম সরকার এক ধরনের মেকানিজম ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে বলে মানুষ মনে করে। এই ধরনের কথাবার্তা মানুষের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমারও এক ধরনের সন্দেহ হয়, পরিকল্পিতভাবে রংপুর বিভাগ ও খুলনা বিভাগকে জামায়াতের প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। অন্যথায় খুলনা বিভাগ বিএনপির ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। সেখানে জামায়াতের এত প্রার্থী জিততেন কিভাবে, এটা মানুষ বিশ্বাস করে না।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন