প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় আফিয়নকারাহিসার প্রদেশের তিনটি ভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ফলে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই নারী শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। হামলার পর সন্দেহভাজন একজনকে পার্শ্ববর্তী এসকিশেহির প্রদেশ থেকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুলিবর্ষণ ও হতাহতের খবর পেয়ে ১১২ জরুরি কল সেন্টারের মাধ্যমে ঘটনাস্থলে জেনদারমেরি বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আয়াজিনি গ্রামের নিকটে তিনজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কিয়ির গ্রামের কাছেও আরও তিনজনের মরদেহ পাওয়া যায়। অন্যদিকে ইউকারিতানদির গ্রামে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
নিহত দুই নারী শিক্ষক হলেন আয়শে সেনা দেমির ও হিলাল মেতে। তাঁরা ইহসানিয়ে ইউকারিতানদির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। প্রাদেশিক শিক্ষা অধিদপ্তর তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে শোক প্রকাশ করেছে।
হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি এসকিশেহির প্রদেশে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি একটি গাড়ি ছিনতাই করেছেন বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী এসকিশেহিরের তাশলিক এলাকায় কাদায় আটকে থাকা তাঁর গাড়িটি খুঁজে পায়। গাড়ি থেকে একটি পাম্প-অ্যাকশন শটগান ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে জেনদারমেরি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে এসকিশেহিরের গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে।
এ ঘটনায় আফিয়নকারাহিসার প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের জন্য একজন উপপ্রধান সরকারি কৌঁসুলি ও তিনজন সরকারি কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন