প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল নগরীতে এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাওনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে মিডটাউন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। ২ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে মিডটাউন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঘটনার সময় ডা. শাওনকে গালিগালাজ করার পাশাপাশি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং পরে হাসপাতালের গার্ড ও স্টাফদের ডেকে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমত তোলপাড় চলছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি জরায়ু অপারেশনের রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় ডা. আনোয়ার নিজেই এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অপারেশন সম্পন্ন না করেই সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই রোগীকে মিডটাউন হাসপাতালেই ভর্তি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ না হয়েও ডা. আনোয়ার কেন নিজে এনেস্থেশিয়া দিয়েছেন—এমন প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করেই ডা. শাওনের সঙ্গে তার বিরোধের সূত্রপাত। একপর্যায়ে বিষয়টি বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয় এবং ডা. শাওনকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ।
ডা. শাওনের দাবি, ডা. আনোয়ার কোনো নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার করেন এবং নিজেই এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ করেন। এতে রোগীর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এমন আপত্তি জানানোতেই তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিডটাউন হাসপাতালের এমডি ডা. আনোয়ার হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি এমবিবিএস পাস। দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই সব অপারেশনই আমি পারি। এনেস্থেশিয়া বিষয়েও আমি অভিজ্ঞ। ডা. শাওন ইর্ষান্বিত হয়ে আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। রাগের মাথায় দু-একটা বকাঝকা করেছি। তবে তাকে আমি কোনো প্রকার হেনস্তা করিনি।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন