প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংস ও ডিমের বিক্রয় আগের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে। তবে, শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের দাম ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে সবচেয়ে কম দামে ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশিরভাগ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের দাম মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে মুরগির দামেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে, প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারের পরিস্থিতিও একই রকম। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ির দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। এছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং জীবিত বা মৃত অবস্থার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি দাম কম বেশি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন