প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরের কালকিনিতে তাইজুল সরদার হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এলাকায় একাধিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ও টুমচর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ২২ অক্টোবর সকালে তাইজুল সরদার নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কালিনগর ও টুমচর এলাকায় হামলা চালায়। এ সময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলন সরদারের বাড়িসহ বিভিন্ন বসতবাড়ি হামলার শিকার হয় বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা এলাকায় একাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে বিভিন্ন বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কালকিনি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “পুলিশ সুপার মহোদয়ের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাইজুল সরদার হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষ এ হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে পুলিশের নিজস্ব তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন