প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জার্মানির কোলন বন বিমানবন্দরে ৯০টির বেশি সাপ ও টিকটিকি পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা। আটককৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ এবং ৫৫টি টিকটিকি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিমানবন্দরের কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তির বয়স ৪৫ বছর এবং তিনি মেক্সিকোর একজন দমকলকর্মী। বিমানবন্দরের ‘ঘোষণা করার মতো কিছু নেই’ লেখা সবুজ সংকেতযুক্ত পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। ফলে কাস্টমস কর্মকর্তারা ওই যাত্রীর মাদক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও পরে তার কাছ থেকে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি।
এরপর ওই ব্যক্তির স্যুটকেস তল্লাশি করে শ্যাম্পু ও ক্রিমের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্র এবং মোজার ভেতরে লুকানো বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও টিকটিকি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সাপগুলোর মধ্যে ভাইপার ও র্যাটলস্নেক অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির টিকটিকিও পাওয়া যায়।
কোলন কাস্টমস বিভাগের মুখপাত্র ইয়েন্স আলান্ড মন্তব্য করেন, ‘স্যুটকেসে আনা বিভিন্ন স্মৃতিসামগ্রী দেখতে বিমানবন্দরে আমার সহকর্মীরা অভ্যস্ত। কিন্তু মেক্সিকো থেকে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি আনার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।’
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলোর কয়েকটিকে অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছিল এবং মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে জার্মানিতে আনার পথে কিছু প্রাণী মারা যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি কর্মকর্তাদের জানান যে, ব্রাজিলের এক পরিচিত ব্যক্তির অনুরোধে তিনি প্রাণীগুলো নিয়ে এসেছিলেন। তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। পরে তাকে জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়। বেঁচে থাকা প্রাণীগুলো বর্তমানে জার্মানির একটি সাপের খামারে রাখা হয়েছে এবং সেগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছে।
ছয় বছর আগে একই বিমানবন্দরে মেক্সিকো থেকে খেলনা ও মিষ্টির প্যাকেটের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ২৬টি বিরল সরীসৃপ উদ্ধার করেছিলেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। সেগুলোর মধ্যে ১০টি ছিল মৃত।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন