ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আতাইকুলায় ভিমরুলের কামড়ে ২ শিশুর প্রাণ গেল


আতাইকুলায় ভিমরুলের কামড়ে ২ শিশুর প্রাণ গেল

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা এলাকায় ভিমরুলের কামড়ে আহত দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের মৃত্যু ঘটে। এর পূর্বে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে, তারা ভিমরুলের কামড়ে আহত হয়েছিল। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন হলো গয়েশবাড়ী গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং অপরজন একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪)। পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে ওসি মজিবর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকেলে খেলতে বের হয়েছিল ওই দুই শিশু। খেলাধুলার একপর্যায়ে তারা একটি ভিমরুলের বাসা দেখতে পেয়ে পাটখড়ি দিয়ে খোঁচা দেয়। তখন ভিমরুলের দল তাদের কামড় দেয় এবং তারা গুরুতর আহত হয়।

তাদের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে দুই শিশুকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে আহত দুই শিশু মারা যায়। দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একই পরিবারের ৫ সদস্য খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


একই পরিবারের ৫ সদস্য খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে। তারা ধর্মীয় বিশ্বাস ও নিজেদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। পরে নওগাঁ জেলা আদালতে স্থানীয় আলেমদের উপস্থিতিতে কালেমা পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী পরিবারের সদস্যরা হলেন- যথাক্রমে মো. আবু মুছা, তার স্ত্রী মোসা. ফাতেমা বিবি, এবং তিন সন্তান মো. হাসান, মো. হুসাইন ও মোসা. আমেনা। তারা আলমপুর ইউনিয়নের সোনাদিঘী এলাকার বাসিন্দা।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার পর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে তারা শান্তির ধর্ম ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান ও ইসলামি জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান। একপর্যায়ে নিজেদের ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের ওই পাঁচ সদস্য। গত বুধবার বিকালে নওগাঁ জেলা আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্থানীয় আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তারা কালেমা শাহাদাত পাঠ করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তারা নিয়মিত নামাজ আদায়সহ ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইসলাম গ্রহণের পর মোছাঃ ফাতেমা বিবি বলেন, “নিজেদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও বিশ্বাস থেকেই আমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। ইসলাম সম্পর্কে জানার পর আমরা এ ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হই। সবকিছু জেনে-বুঝেই ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি আরও জানান, তারা আগামী দিনগুলোতে সমাজের মুসলিম ধর্মের মানুষদের সহিত একত্রে বসবাস করতে চান। এদিকে, একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় কয়েকজন মুসল্লি তাদের ইসলামি জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্তির দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্তির দাবি

রাজশাহীতে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়েছে "খরা থেকে ন্যায়বিচারের পথে- বরেন্দ্র থেকে বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন" এই আহ্বানে। বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে জাতীয় ও বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার অগ্রাধিকারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। কর্মসূচিতে পানি, খাদ্য, তাপ, প্রকৃতি, জীবিকা ও জলবায়ু ন্যায়বিচারকে কেন্দ্র করে জনগণের দাবি তুলে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার ( ১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বরেন্দ্র অঞ্চলের যুব, পরিবেশবাদী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের বৃহৎ ঐক্য বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম, গ্রিন কোয়ালিশন ও উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক যৌথভাবে এই বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটের আয়োজন করে। এতে কৃষক-কিষাণী, নারী, যুব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, পরিবেশকর্মী এবং স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা জানান, বরেন্দ্রের দীর্ঘস্থায়ী খরা, তাপপ্রবাহ, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর বাড়তে থাকা চাপ, কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ঝুঁকি, নদী-খাল-পুকুর ও জলাভূমির সংকট, প্রাণবৈচিত্র্যের অবক্ষয় এবং জীবিকার ঝুঁকি পরস্পর সম্পর্কিত। এসব সংকট মোকাবিলায় বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন কাঠামো প্রয়োজন। জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

গ্রিন কোয়ালিশন বরেন্দ্র অঞ্চলের সভাপতি মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, “বরেন্দ্র অঞ্চলে এক সময় প্রচুর পুকুর, ছোট নদী, খাল-খাড়ি ছিল এগুলোকে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এই অঞ্চলের পানি সংকটকে আরো জটিল করছে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন কিন্তু পানি পুণর্ভরণ ঠিক মতো না হওয়ায় এই অঞ্চলের সংকটগুলো দ্রুত তীব্রতর হচ্ছে। বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল থেকে এই অঞ্চলের জন্য পৃথক তহবিল গঠন করে এই সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।”

নৃবিজ্ঞানী ও বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু সংকটের প্রভাব উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত। বরেন্দ্রে এর বাস্তব চিত্র খরা, পানির সংকট ও কৃষকের জীবিকায় স্পষ্ট। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচারের পাশাপাশি পানি, খাদ্য ও জীবিকার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।” বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, “বরেন্দ্রের খরা, পানি সংকট, তাপপ্রবাহ ও জীবিকার ঝুঁকি কোনো বিচ্ছিন্ন স্থানীয় সমস্যা নয়; এগুলো জলবায়ু অভিযোজন ও ন্যায়বিচারের বৈশ্বিক আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই বরেন্দ্রের বাস্তবতাকে কপ-৩১ এর জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও লস এ্যান্ড ড্যামেজ আলোচনায় কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”

রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া বলেন, “প্রকৃতি কখনো ছেড়ে দেয় না, প্রকৃতি এর প্রতিশোধ নেবেই। নেপালে যে বিপর্যয় হয়েছে সেটির জন্য নেপাল দায়ী নয়, দায়ী সেই ধনী দেশগুলো যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। কিন্তু এর ফল ভোগ করতে হচ্ছে নেপালকে। বাংলাদেশও এই ঝুঁকির বাহিরে নয়। অবিলম্বে এই ঝুঁকি মোকাবেলায় পদক্ষেপ নেয়া না হলে সংকট আরো কঠিন হবে।”

নগর প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি নিলুফার ইসমত আরা বলেন, “রাজশাহীতে যতগুলো বস্তি আছে সেখানে যারা বসবাস করে তাদের বেশিরভাগই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নদীভাঙ্গনের শিকার হয়ে এসেছেন। তারা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে আছেন। তাদের পানির অধিকার, বসবাসসহ সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।” আদিবাসী যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাবিত্রী হেমব্রম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ী না হয়েও এর ফল ভোগ করছি আমরা। আমরা জলবায়ু ন্যায্যতা চাই।”

আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনের উদ্দেশ্যে বরেন্দ্র থেকে পাঁচটি মূল বার্তা তুলে ধরা হয়- খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলকে জলবায়ু সম্মুখসারি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, পানি নিরাপত্তাকে জলবায়ু নিরাপত্তার কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার করা, জলবায়ু সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি ও অভিযোজনের জন্য ন্যায়সংগত অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের নেতৃত্ব ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বরেন্দ্র জলবায়ু ন্যায্যতার ১২ দফা দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবিগুলো হলো- পানি, কৃষি, স্বাস্থ্য, জীবিকা, প্রকৃতি ও সামাজিক সুরক্ষাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি “বরেন্দ্র জলবায়ু সহনশীলতা কাঠামো” প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ, ভূ-উপরিস্থ পানির অগ্রাধিকার এবং পানি নিরাপত্তা ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা; জলাধার ও প্রতিবেশব্যবস্থা সংরক্ষণ: নদী, খাল, পুকুর, বিল, জলাভূমি, বন ও প্রাকৃতিক পানি প্রবাহপথ দখল, ভরাট ও দূষণমুক্ত করে পুনরুদ্ধার করা; জলবায়ু-সহনশীল ও পানি-সাশ্রয়ী কৃষি, এগ্রোইকোলজি ও কৃষিবাস্তসংস্থানভিত্তিক কৃষি, মাটির স্বাস্থ্য ও কৃষিপ্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং স্থানীয় কৃষিজ্ঞানকে নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা; স্থানীয় ও জলবায়ু-সহনশীল বীজ সংরক্ষণ, ব্যবহার ও বিনিময়ে কৃষকের অধিকার এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা; বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা মোকাবিলায় পৃথক দীর্ঘমেয়াদি খরা তহবিল, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য খরা ভাতা এবং পুনর্বাসন সহায়তা চালু করা; কৃষক, কৃষিশ্রমিক, নারী ও জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য ন্যায্য মূল্য, অভিযোজন সহায়তা, জীবিকা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা; তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কতা, শ্রমিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা প্রস্তুতি এবং তাপ-সহনশীল জনপরিসর ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা; ন্যায়ভিত্তিক স্থানীয় জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা। ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে সরাসরি, পর্যাপ্ত, স্বচ্ছ, পূর্বানুমানযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক অভিযোজন অর্থায়ন পৌঁছানো; জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি শনাক্ত, নথিভুক্ত ও মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধার সহায়তা নিশ্চিত করা; কৃষক, নারী, যুব ও স্থানীয় জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তথ্যভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জলবায়ু শাসন প্রতিষ্ঠা করা; জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু নীতি, অভিযোজন পরিকল্পনা ও অর্থায়নে বরেন্দ্রের খরা, পানি সংকট ও তাপপ্রবাহজনিত ঝুঁকিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া। জলবায়ু ধর্মঘটে আরো বক্তব্য রাখেন, গ্রিন কোয়ালিশন রাজশাহী মহানগরের সভাপতি মাহমুদ জামাল কাদেরী, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক পলি রানী, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক হাসিবুল হাসনাত রিজভি, প্রজেক্ট আর্থকেয়ার এর নির্বাহী সমন্বয়ক আর-রাফী সিরাজী অন্তর, আদিবাসী নেতা উপেন রবিদাস, ছোট্ট স্বপ্ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রকি আলীসহ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


ঈশ্বরদীতে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

পাবনার ঈশ্বরদীতে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এএসসি পরীক্ষা-২৬ এ জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর) দুপুরে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এই সংবর্ধনার আয়োজন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিক্ষক আসাদুজ্জামান বকুল এবং প্রধান শিক্ষক মোঃ জোমসেদ আলীর সার্বিক সহযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

বক্তারা জানান, পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এএসসি পরীক্ষায় ৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ১৭ জন কৃতিত্বের সাথে জিপিএ-৫ পেয়েছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই বিদ্যালয় থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি মেয়েরা জিপিএ-৫ অর্জন করতে পড়াশোনায় মনোযোগী হবে। বক্তারা উল্লেখ করেন, "শুধু জিপিএ-৫ পেলেই শেষ নয়। এখন থেকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে। আগামীতে ভালোভাবে পড়াশোনা করে আজকের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।"

সভাপতি মন্তব্য করেন, "ফ্যাসিস্ট সরকার অবৈধভাবে দীর্ঘদিন দেশ পরিচালনা করে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলেই শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়।"

তিনি আরও বলেন, "এদেশের শিক্ষাব্যবস্থাটি এমনভাবে গঠন করা হয়েছে, যাতে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় একটি মহল আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।" এ সময় বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিদর্শক পাবনা মোখলেসুর রহমান, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম নয়ন, সরকারি প্রধান শিক্ষক রাইদুল ইসলাম, শিক্ষক আব্দুল মজিদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, নুর বক্সা শাহ, সুলতানা লায়লা এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে স্ত্রীর অভিযোগের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী উদ্ধার, আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


শেরপুরে স্ত্রীর অভিযোগের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী উদ্ধার, আটক ১

বগুড়ার শেরপুরে মোঃ শরিফ শেখ (৩৪) নামের এক রাজমিস্ত্রিকে অপহরণ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত হিসেবে মিঠু হোসেন নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, রাজমিস্ত্রি শরিফের স্ত্রী মোছাঃ সাদিয়া খাতুন বাদি হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

এজহারে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, শেরপুর টাউন কলোনীর মোঃ রাসেল বাবু হিমু (৪৩), মোঃ রাকিব (৩৫), মো: লিমন (৩২), মোঃ সাব্বির (২৩), মো: কামাল (৩৫), মো: সাব্বির (৩০), মো: নাজমুল (১৮), মোঃ বুলবুল (৩৫), মো: মাসুদ (৩৬), মো: সাফি (২৪), মো: রাফি (২৪), এবং মোঃ মিঠু হোসেন (৪০)। এজাহার সূত্রে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা শরিফ শেখ গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে নৈশভোজ শেষে নিজ এলাকা হামাছায়াপুর গ্রামের মোঃ রেজাউল কবিরের সাথে হাপুনিয়া বাজারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন।

রাত ৮:১৫ মিনিটের দিকে তাঁরা হাপুনিয়া বাজারস্থ মোঃ নাহিদের মুদি দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওতপেতে থাকা বিবাদীরা একটি অজ্ঞাত গাড়িতে করে তাঁদের তুলে নিয়ে যায়। পরে, শরিফ শেখকে চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়। অপহরণকারীরা রেজাউল কবিরকে ছেড়ে দিলেও শরিফ শেখকে এখনো মুক্তি দেয়নি এবং তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মইনুদ্দিন বলেন, ঘটনার মামলার প্রেক্ষিতে অপহৃত শরিফ শেখকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রকৃত রহস্য উন্মোচনে প্রয়োজনীয় পুলিশি তদন্ত ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%