ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০ অক্টোবর দুর্গোৎসব দেখতে রংপুর সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী


২০ অক্টোবর দুর্গোৎসব দেখতে রংপুর সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আগামী ২০ অক্টোবর রংপুর সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের কারণে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার বিকেলে পুলিশ ধর্মসভা মন্দির এলাকা পরিদর্শন করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় পুলিশি নজরদারি অনেকাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং র‌্যাবের টহল দলও কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া, এসএসএফ ও এনএসআইয়ের উচ্চ পর্যায়ের একটি দলও ইতোমধ্যে মন্দির এলাকা পরিদর্শন করেছে।

সফরের সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি সড়কপথে রংপুর নগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দিরের (ধর্মসভা) উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সকাল ১১টার দিকে তিনি ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পুনরায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেবেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ৮১২ মণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

গুপ্তপাড়া শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরের সভাপতি সুব্রত সরকার মুকুল জানিয়েছেন, ‘আমরা এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিশিয়াল কোনো চিঠি পাইনি। তবে এসএসএফ ও এনএসআইয়ের দল এলাকা পরিদর্শন করে গেছে। আমরাও প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রমনায় অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ এম


রমনায় অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের ভেতরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি মেয়েকে সুইমিংপুলে রেখে ভবনের ভেতরে যান। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর নিচতলায় সিঁড়ির পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি বনানীর একটি বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বাংলাদেশে আসলে তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দাফনকাজ সম্পন্ন হবে।

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবের সুইমিংপুলে যান। তিনি চোখে কম দেখতেন। ওই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে যান। সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়েছে।

ডিসি জাহিদুল আরও জানান, এ বিষয়ে তার পরিবার ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় আ.লীগ-বিএনপির মধ্যে সার ডিলারশিপ ভাগাভাগির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ এম


খুলনায় আ.লীগ-বিএনপির মধ্যে সার ডিলারশিপ ভাগাভাগির অভিযোগ

খুলনায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতারা সার ডিলারশিপ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। বরফকলকে গোডাউন হিসেবে এবং সিমেন্টের দোকানকে সার বিক্রির কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মিষ্টির দোকানে সার বিক্রির সাইনবোর্ড ঝোলানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে কট্টর আওয়ামী সমর্থক, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এমপির ভাতিজা ডিলার নিযুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে ঝিনাইদহে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসন করে সার ডিলারের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ৯ অক্টোবর নতুন সার ডিলারদের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশের পর জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে নতুন সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন নিয়োগবঞ্চিত ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুলনার ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া ইউনিয়নের সার ডিলার হয়েছেন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান খান মিন্টুর স্ত্রী লায়লাতুন্নাহার। তিনি বিক্রয় কেন্দ্র হিসেবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি মফিজুল ইসলাম সানার ভাইয়ের সিমেন্টের দোকানে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠানের নাম জারিফ এন্টারপ্রাইজ।

ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের ডিলার হয়েছেন গাজী হাফিজুর রহমান। তিনি গুটুদিয়া ইউনিয়নের বরফকলকে গোডাউন হিসেবে দেখিয়েছেন। মাগুরখালী ইউনিয়নের ডিলার হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সুকৃতি মণ্ডল। তিনি তার মিষ্টির দোকানে সার বিক্রির সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছেন। আটলিয়া ইউনিয়নে ডিলার হয়েছেন বিএনপি নেতা আবদুল মালেক সরদার।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হাফিজুর দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকেন। লায়লাতুন্নাহারকে আগে কখনোই সারের ব্যবসায় দেখা যায়নি। ডিলাররা স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবিতা সরকার জানিয়েছেন, আবেদনে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সরেজমিন পরিদর্শনের তথ্যে কোনো গরমিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী বাতিল করা হবে।

টাঙ্গাইলে কট্টর আওয়ামী সমর্থকও ডিলার

টাঙ্গাইলে কট্টর আওয়ামী সমর্থক, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এমপির ভাতিজা সারের ডিলার নিযুক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা চলছে।

সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বেলতা গ্রামের আওয়ামী সুবিধাভোগী ও দলের কট্টর সমর্থক আব্দুল মান্নান সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তিনি পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী আজমত আলীর ভাতিজা এবং মেসার্স আব্দুল মান্নান ট্রেডার্সের প্রোপাইটর।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের গত ১৭ বছর আব্দুল মান্নান ও তার আপন চাচা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজমত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা সুবিধা ভোগ করছেন। পদ-পদবি না থাকলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী বলেন, বিষয়টি শুনেছি।

এদিকে, মির্জাপুরে সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর ভাতিজা মেহেদী হাসান সিদ্দিকীসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা সারের নতুন ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

বানাইল ইউনিয়ন ওলামা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন টিটু ফেসবুকে লিখেছেন, ‘যার কোনো দোকান নেই, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নেই, কোনো গুদামঘর নেই, সে কীভাবে সারের ডিলার পায়?’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন মির্জাপুর উপজেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, সার ডিলার নিয়োগে ব্যাপক দলীয়করণ হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া জানিয়েছেন, রাজনৈতিক কোনো ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ পেয়েছেনÑএমন তথ্য তিনি জানেন না।

ঝিনাইদহে নির্বাহী ম্যা‌জিস্ট্রেটের মা

ঝিনাইদহে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসন করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, কর্মচারী কিংবা সরকারি কর্মকর্তাদের নিকটাত্মীয় ডিলারশিপের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অথচ হরিণাকুণ্ডুর দৌলতপুর ইউনিয়নে সালেহা বেগম মহিলা কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক আনিচুর রহমানের স্ত্রী আনোয়ারা নাসরিনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আনিচুর-আনোয়ারা দম্পতির মেয়ে নির্বাহী ম্যা‌জিস্ট্রেট, যা সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এছাড়া মনোনীত অধিকাংশ ডিলারের নিজস্ব কোনো উপযুক্ত সারের গুদাম নেই। সার ডিলার নিয়োগ পেতে অনেকেই ব্যাংকের ভুয়া আর্থিক সচ্ছলতা সনদ এবং মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, পাগলাকানাই ইউনিয়নে ডিলারশিপ পাওয়া রাকিব হাসান বন্ধন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ। অন্যদিকে হরিণাকুণ্ডুর চাঁদপুর ইউনিয়নে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ডিলার নিয়োগের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি পরিবারের সদস্য সাকিব হোসেন।

আওয়ামী পরিবারের লোকজন ডিলারশিপ পাওয়ায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডুর চাঁদপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদের বড় ভাই আব্দুল লতিফ এবং জোড়াদহ ইউনিয়নে ওএমএস ডিলার লাল্টু মিয়া সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন।

মহেশপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাসানের ভাই এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার শ্যালক এহসান রেজা, পৌর এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমান বুল্লা, যাদবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী পরিবারের সদস্য সবুর খান এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে শাকিল রিয়াজ শুভর নাম রয়েছে তালিকায়।

কালীগঞ্জের ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সভাপতির শ্যালকের স্ত্রী সুরমা হাসান এবং শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সভাপতির চাচাতো শ্যালক নাজমুল হক মিশুর নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। জেলা বিএনপির সভাপতির কর্মচারী আনোয়ার হোসেনকেও ডিলার করা হয়েছে। আনোয়ার দীর্ঘ‌দিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দীন বিশ্বাস জানিয়েছেন, জেলা থেকে সব নিয়ন্ত্রণ করায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্বজনরা বাদ পড়েছেন, এমনকি তার ছেলের নামও তালিকায় রাখা হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে রাজনীতি করার কোনো মানে হয় না।

স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেছেন, তার শ্যালক নিজে জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল পদে রয়েছে। তাই সে আওয়ামী পরিবারের সদস্যÑএমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

হরিণাকুণ্ডুর ইউএনও প্রদীপ্ত রায় দীপন জানিয়েছেন, তার কাছে কোনো সার ডিলারের চূড়ান্ত রিপোর্ট পৌঁছায়নি।

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেছেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সার ডিলার নিয়োগে নজিরবিহীন অনিয়ম, জালিয়াতি ও আওয়ামীপ্রীতির বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি নোমান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকর জানিয়েছেন, সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে তুঘলকি কারবার ঘটছে। জেলাব্যাপী আত্মীয়করণ, দলীয়করণ ছাড়াও টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের অন্তরালে আওয়ামী পুনর্বাসন সাধারণ মানুষ মনে নেয়নি।

গৌরীপুরে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের অভিযোগ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন নিয়োগবঞ্চিত ব্যবসায়ী ও গৌরীপুর পৌর কৃষক দলের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ কাজিয়েল হাজত মুন্সি। গত সোমবার গৌরীপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ১১ জন নতুন সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, অসাধু চক্র ডিলারপ্রতি ১৫-২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং ‘অলিখিত চুক্তি’র গুঞ্জন রয়েছে। যারা সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন, তাদের অনেকেই আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর এবং তাদের পরিবার-পরিজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এতে সার বিতরণে ভবিষ্যতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, নতুন সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে গত রোববার কৃষি মন্ত্রাণলয়ে লিখিত অভিযোগ দেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা।

[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা]

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে নারী কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ এম


ইরানে নারী কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে আধাসামরিক বাহিনী বাসিজের একজন নারী কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং ধারাবাহিক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

বুধবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, মেহরেস্তান শহরের নিজ বাড়ির সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন নারীদের বাসিজ ইউনিটের কমান্ডার আফসানেহ আঘিলা। তবে এই হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি।

বাসিজ হলো আইআরজিসির অধীনে একটি স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী। এই বাহিনী সরকার সমর্থিত কাজ করার পাশাপাশি সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনেও সক্রিয়। বাসিজের নারী সদস্যরা বিভিন্ন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেন।

একই দিনে মেহরেস্তান শহরে পুলিশের একটি ভ্যানে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলায় মোহাম্মদ-আলি শাহরিয়ারি নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। নারী কমান্ডার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এই হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, অঞ্চলটিতে সক্রিয় সুন্নি জিহাদি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী জৈশ আল-আদল তাদের একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে দাবি করেছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাফতান পর্বত এলাকা, কুরিন জেলা ও বন্দরনগরী চাবাহারে ইরানি সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তাদের তিন দফা সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে।

দারিদ্র্যপীড়িত সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে মূলত সুন্নি মতাবলম্বী বেলুচ সংখ্যালঘু জনগণের বসবাস। দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ বেকারত্বের সমস্যায় ভুগছে অঞ্চলটি। গত সেপ্টেম্বর থেকে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা, বোমা বিস্ফোরণ এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

সুন্নি ও বেলুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক সহিংসতার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। তবে ইরান সরকারের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে ইসরায়েলি ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে। যদিও এ দাবির সমর্থনে সরকার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি।

এ পরিস্থিতিতে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথেও হাঁটছে ইরান। গত রোববার জৈশ আল-আদলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এক বেলুচ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সূত্র: আল-মনিটর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাউজানে নতুন আতঙ্ক সৃষ্টি করছে আলম-আজিজ বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ এম


রাউজানে নতুন আতঙ্ক সৃষ্টি করছে আলম-আজিজ বাহিনী

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি অপরাধী গোষ্ঠীর সদস্যদের গ্রেপ্তারের পর নতুন করে আরেকটি গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। খুন, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অশান্ত এই উপজেলায় এবার আলোচনায় উঠে এসেছে ডাকাত আলম ওরফে জানে আলম এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের অনুসারীরা। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে পুলিশ গুলির মুখে পড়ে। এই ঘটনায় ১২ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১৯টি চায়না রাইফেলের গুলি এবং দেশীয় অস্ত্র।

জেলা পুলিশের দাবি, শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী রায়হান আলমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ধামা ইলিয়াস, মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর ডাকাত আলম ও আজিজ বসের গোষ্ঠী এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। রায়হান এখনো পুলিশের নাগালের বাইরে রয়েছে।

এক পক্ষের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পর অপর পক্ষের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগ ওঠায় রাউজানে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষের হাতে যাচ্ছে কি না, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাউজানের আবু বক্কর চৌধুরীর কাছে ফোনে চাঁদা দাবি করা হয়। পরে জানে আলম ও আজিজের অনুসারীরা তার বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি যাচাই করে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জানে আলমের বসতঘরের কাছে পৌঁছালে ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। ওই সময় সেখানে জানে আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, রুবেল, মামুন-অর-রশিদ মামুন ও বাঁচাসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি পুলিশের। গুলিবিদ্ধ দিলদারকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, অভিযানে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা বন্দুক, ১১৯টি চায়না রাইফেলের গুলি, ছয়টি সিসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কিরিচ ও গুলি রাখার পাউচ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের মালিকানা এবং কোনো অপরাধে সেগুলো ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা তদন্তসাপেক্ষ।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, রায়হান ও তার প্রতিপক্ষের সদস্যদের একের পর এক গ্রেপ্তারের ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছিল। এর মধ্যে রায়হানপন্থিদের প্রতিপক্ষ ডাকাত আলম ও আজিজ বসের গোষ্ঠী সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এসপি জানান, গ্রেপ্তার দিলদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, তাদের কাছে আরো ভারী অস্ত্র থাকতে পারে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তী অভিযান চালানো হবে।

তিনি বলেন, কে কোন গ্রুপের, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, অভিযানে আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল।

কে এই ডাকাত আলম ও আজিজ বস

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, জানে আলম ওরফে ডাকাত আলমের বয়স ৪২ বছর এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের বয়স ৫২ বছর। পুলিশের দাবি, তাদের নেতৃত্বে কদলপুর ও আশপাশের এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি এবং সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগে তাদের নাম এসেছে।

পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে, এই গোষ্ঠীর কাছে একে-৪৭ রাইফেলসহ ভারী অস্ত্র রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাদের অনুসারীর সংখ্যা দেড় শতাধিক। তবে অস্ত্রের মজুত ও সদস্যসংখ্যার এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত আলম ও আজিজ বসের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গেও তাদের যোগাযোগের অভিযোগ আছে। স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর সঙ্গে তাদের ছবি রয়েছে। অতীতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে।

পুলিশ রায়হান আলম ও তার অনুসারীদের সঙ্গে ডাকাত আলম-আজিজ বসের গোষ্ঠীর বিরোধকে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী অপরাধী গোষ্ঠীর তৎপরতা হিসেবে দেখছে। পুলিশের ভাষ্য, বালুমহাল ও চাঁদাবাজির অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। রাউজানে বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ বালু উত্তোলন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা আদায় ও এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%