প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দিদারুল আলম (১৫) নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মাহিদ মিয়া (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে দিদারুল মারা যায়।
ঘটনাটি ঘটেছে কসবা উপজেলার ২ নম্বর মেহারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌবেপুর উত্তরপাড়া এলাকায়। নিহত দিদারুল ওই এলাকার আল আমিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার নারকেল পাড়ার জন্য দিদারুলকে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় ইউনুছ মিয়ার ভাতিজা মাহিদ মিয়া নারিকেল পাড়তে বাধা দেন। রুনা আক্তারের সঙ্গে মাহিদের এই নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়।
মাহিদ দিদারুলকে নারকেল পাড়ার কারণ জানতে চান। দিদারুল জানান, তার চাচি রুনা আক্তারই তাকে নারকেল পাড়ার জন্য ডেকে এনেছেন। একপর্যায়ে মাহিদ তাকে নারকেল পাড়লে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দিদারুল তার জবাবে মাহিদকে মারতে নিষেধ করেন।
পরে দিদারুল বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে মাহিদ তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিদারুলকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার স্পেশালাইজড মেডিকেল কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় একজনের বক্তব্য অনুযায়ী, দিদারুল ১০০ থেকে ১৫০ টাকার বিনিময়ে নারকেল পেড়ে দিতে সেখানে গিয়েছিল। তবে এই টাকার বিনিময়ে কাজ করার বিষয়টি পুলিশি বিবরণে উল্লেখ নেই।
এ বিষয়ে কসবা থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন