প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিথুয়ানিয়া মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য ওয়াশিংটন রাজি হলে এর খরচ বহন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। মঙ্গলবার লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিনদাউগাস সিনকেভিসিয়ুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, লিথুয়ানিয়ার স্থায়ী মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনের অনুরোধ তিনি বিবেচনা করবেন। তিনি বলেন, “তারা আমার বন্ধু। তারা দারুণ মানুষ। তাই আমরা অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করব।”
লিথুয়ানিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য, এবং এর সীমান্ত রয়েছে রাশিয়া ও মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের সঙ্গে। ২০১৯ সাল থেকে সেখানে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সেনার একটি সাঁজোয়া ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে। তবে এই সেনাদের সেখানে স্থায়ীভাবে রাখা হয় না। কয়েক মাস পর পর নতুন সেনারা সেখানে আসেন এবং আগের সেনারা চলে যান।
গত মাসে ভিলনিয়াসে ট্রাম্পের দূত জন কোলের সঙ্গে বৈঠকে সিনকেভিসিয়ুস জানান, এই অস্থায়ী সেনা উপস্থিতিকে স্থায়ী করার প্রস্তাব তিনি দিয়েছেন।
ফেসবুকে সিনকেভিসিয়ুস লেখেন, “এই ধারণাটিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে, এতে আমি খুশি। এটি প্রতিরোধ ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিশ্চয়তা।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের অংশীদারদের শুধু স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত খরচ বহন করতে লিথুয়ানিয়া প্রস্তুত।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন