প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার খবরের পর ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ক্রয় চুক্তি আগামী অক্টোবরেই চূড়ান্ত হতে পারে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিমানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের আকাশপথের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরকে শক্তিশালী করতেই এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ সরবরাহের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এই চুক্তির প্রথম চালানটি ২০৩১ সালে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই বড় চুক্তির ধারাবাহিকতায় এবার ইউরোপের এয়ারবাস বহরে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন কেনা উড়োজাহাজগুলো হস্তান্তরে কয়েক বছর সময় লাগবে, তাই মধ্যবর্তী সংকট কাটাতে লিজের মাধ্যমে আরও ১০টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে সরকার।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আরও ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে। সিডনি রুট চালুর বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানে একটি ফ্লাইট চালু রয়েছে এবং সেখানে দ্বিতীয় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এয়ারবাস কেনার বিষয়ে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, "আমরা কোনো চাপে কিছু করছি না। আমাদের প্রয়োজনের কারণে করছি। আমাদের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য করছি।"
তিনি উল্লেখ করেন, কোন দেশ থেকে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন ও অ্যাভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন