প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ওয়াশিংটন সময় রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
মিশিগানের উদ্দেশে হোয়াইট হাউস থেকে রওনা হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "আমি কি আপনাদের সেটা বলব? উত্তর হলো—না, আজ কোনো হামলা হবে না।" তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি।
এর আগে ট্রাম্প জানান, ইরানে হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, "আমার কি কাজটা শেষ করা উচিত—যা করা খুব সহজ হবে, নাকি একটি সমঝোতায় পৌঁছানো উচিত?"
ট্রাম্পের মন্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ ও কূটনৈতিক সমঝোতা, দুই পথই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খোলা রয়েছে।
এদিকে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাব-নিকাশের কারণে যুদ্ধের জটিলতা বেড়েছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার দায়িত্ব এখন ওয়াশিংটনের। ইতোমধ্যে, ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে, তারা দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘লুকাস’ ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আর আগের মতো থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "আমাদের মেনে নিতে হবে, এখন নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ আর আগের মতো থাকবে না। হরমুজ প্রণালি পরিচালনার ব্যবস্থাও আগের মতো থাকবে না।"
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পরিদর্শন করেছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, গ্রীষ্মকাল থেকে উপসাগরীয় অংশীদারদের ১৫০ কোটি ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল রফতানিতে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে জলপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান এখনো বিপরীতমুখী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন