প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের (২০২৬ সাল) হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর, সৌদি সরকার চিকিৎসা খরচের নামে এজেন্সিগুলোর আইবিএএন অ্যাকাউন্টে রক্ষিত প্রায় ১০ কোটি টাকা (৩০ লাখ সৌদি রিয়াল) আটকে রেখেছে। হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত এই টাকা ছাড় করানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই দাবি করেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এজেন্সিগুলোর আইবিএএনে (আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট) রক্ষিত টাকা ফেরত আনতে গেলে সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল আটকে দেয় এবং মেডিকেল বিলের নামে সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে এই ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল দাবি করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘হজ চুক্তি কিংবা পূর্বে কোনো মাধ্যমে আমাদের সরকার কিংবা এজেন্সি বা হজযাত্রী কাউকে এ বিষয়ে অবহিত না করে হঠাৎ এ সিদ্ধান্তে আমরা বিস্মিত।’
হাবের মহাসচিব উল্লেখ করেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো হজযাত্রী চিকিৎসা ব্যয় খাতে কোনো টাকা পরিশোধ করবেন না। আমরা ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে উল্লেখিত ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল দ্রুত ছাড় করানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। আমরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবেও বিষয়টি অবহিত করেছি।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের পদক্ষেপে যদি এ বিষয়ে সফলতা না আসে তাহলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আপৎকালীন তহবিল থেকে এ টাকা পরিশোধ করার দাবি করছি। হজযাত্রীরা এ টাকা পরিশোধ করবেন না, তাই এজেন্সির পক্ষে এ বিশাল টাকা পরিশোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’
হাবের মহাসচিব জানান, হজ চুক্তিতে কিংবা এর আগে কোনো মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার, হজ এজেন্সি বা হজযাত্রীদের এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি। তাই হঠাৎ করে এ অর্থ দাবি করায় তারা বিস্মিত হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন