প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়া ভ্যাকসিনেটররা স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যক্রম পুনরায় চালু, পূর্বের কর্মস্থলে পুনর্বহাল এবং চাকরি স্থায়ীকরণে উপযুক্ত কর্মসংস্থান দাবিতে। স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তারা বর্তমানে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন। স্মারকলিপিতে মানবেতর ও চরম আর্থিক সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা তাদের পরিবার পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেনের কাছে স্মারকলিপিটি প্রদান করেন জেলার ৪৯ জন ভ্যাকসিনেটর। সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে উন্মুক্ত আলোচনা শেষে, জেলা সিভিল সার্জনের কাছে স্মারকলিপিটি পৌঁছে দেওয়া হয়। মোশারফ হোসেন এমপি বগুড়াসহ সারাদেশে প্রজেক্টে কর্মরত ভ্যাকসিনেটরদের দাবি পূরণে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে ‘ভলান্টিয়ার’ হিসেবে বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি, নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রম, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা, বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন জনস্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ভ্যাকসিনেটররা। পরবর্তীতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দৈনিক ভাতা ভিত্তিক ভ্যাকসিনেটর হিসেবে মাঠপর্যায়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর মাঠপর্যায়ে কাজ করার মাধ্যমে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। তাদেরকে পুনরায় জনস্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভ্যাকসিনেটরদের দাবি হলো- বন্ধ হয়ে যাওয়া ইপিআই টিকাদান কার্যক্রম অবিলম্বে পুনরায় চালু করে পূর্বের কর্মস্থলে পুনরায় নিয়োগ, দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও কর্মের ধারাবাহিকতা বিবেচনা করে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট পদে চাকরি স্থায়ীকরণ, আত্মীকরণ অথবা উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। স্মারকলিপিতে বগুড়া জেলার ভ্যাকসিনেটরদের পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে তাজবীর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।
ভ্যাকসিনেটররা বলেন, প্রজেক্টটি পুনরায় চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের আবেদন। তারা কর্মহীন অবস্থায় মানবেতর ও চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। ইপিআই কার্যক্রম চালু না হলে সরকারের অনেক প্রজেক্ট রয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনেকের চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। সারাবছরই কিছু কিছু ভ্যাকসিন কার্যক্রম সরকারিভাবে চলমান থাকে। সকলের স্থায়ীকরণ করে সুস্থ ও সুন্দরভাবে পরিবার নিয়ে জীবনযাপনের সুযোগ চান ভ্যাকসিনেটররা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন