প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্যারাগুয়ের যোগাযোগমন্ত্রী ও বেলিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন, কারণ তারা তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে।
বিশ্বের মাত্র ১২টি দেশের মধ্যে প্যারাগুয়ে ও বেলিজ দুটি দেশ, যারা তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে আসছে। চীনের দাবি, তাইওয়ান তাদের একটি প্রদেশ এবং তাইওয়ানের আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার অধিকার নেই। তবে তাইওয়ানের সরকার চীনের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
এই নিষেধাজ্ঞাকে প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সাধারণত তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর মন্ত্রীরা চীন সফর করেন না। এর আগে বেইজিং পশ্চিমা রাজনীতিকদের ওপর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, যারা তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, প্যারাগুয়ে ও বেলিজের কিছু রাজনীতিক নিজেদের দেশের সঙ্গে তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ‘চীনবিরোধী’ আচরণ করেছেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত দুটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দুই মন্ত্রীকে হংকং ও ম্যাকাওয়ে প্রবেশের ভিসা প্রদান করা হবে না। এছাড়া, চীনের কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি তাদের সঙ্গে ব্যবসা, সহযোগিতা বা অন্য কোনো ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
গত মাসে বেলিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিস ফনসেকার সঙ্গে বৈঠক করেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং। এর আগে জুনে প্যারাগুয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিমন্ত্রী গুস্তাভো ভিয়ালাতের সঙ্গে বৈঠক করেন তাইওয়ানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন মিং-চি।
চীন তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়ে চলেছে। বেইজিংয়ের লক্ষ্য হলো, এসব দেশ যেন তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে।
সর্বশেষ ২০২৪ সালে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র নাউরু তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। এর আগে ২০২৩ সালে তাইওয়ানের সঙ্গে কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে হন্ডুরাস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন