প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে মোট ১৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলায় ঢাকার একটি আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
বুধবার ডাক্তার কামাল উদ্দীন নামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ডকৃত আসামিদের মধ্যে যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু বা আমির হোসেন, আব্দুর রহমান বা আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান এবং শাহিন হোসেন ইমন থাকছেন।
এর আগে, গত ১৩ আগস্ট রাতের দিকে পুলিশ ভাটারা থানায় একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৫২ জনকে গ্রেফতার করে। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম আদেশ দেন যে, তাদের কারাগারে পাঠানো হবে। এর মধ্যে মামলার তদন্তের প্রয়োজনে ১৫ জনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়। শুনানির জন্য বুধবার আদালত একটি নির্ধারিত দিন ধার্য করে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা এলাকায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়। আটকদের অধিকাংশই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছে থেকে দু’টি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়। মামলার নথিতে উল্লেখ আছে যে, জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন