প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে ভারতকে পিছনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র এখন নতুন অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্য ১২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অপরদিকে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ছিল ১০ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। এই ব্যবধানের ফলে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, এবং চীন পূর্বের মতো তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।
এই পরিবর্তনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির বিষয়টি রয়েছে। গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি প্রায় ৪৩ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মার্কিন শুল্ক নীতির চাপ মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য ও জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করেছে। এর ফলে গম, সয়াবিন বীজ, তুলা এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান কেনার সিদ্ধান্তও এই বাণিজ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অন্যদিকে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যে কিছুটা অবনতি দেখা দিয়েছে। গত বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন নিয়মকানুন ও পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সুতা আমদানি বন্ধ করে দেয়, এবং এর বিপরীতে ভারতও কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য অন্য দেশে পাঠানোর বিশেষ সুবিধা তুলে নেয়।
সব মিলিয়ে, দুই প্রতিবেশী দেশের বাণিজ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হলেও ঢাকার সঙ্গে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন