প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকিরহাট মাঝিপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় শাহ জালাল মিয়াকে গলা কেটে হত্যা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত গোলাম হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়েছে। এতে নিহতের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, নিজ ঘরে ঢুকে একজন মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করার এ ঘটনাটি পুরো এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত গোলাম হোসেনকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। বক্তারা সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানান যে, গোলাম হোসেনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে এবং দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় তারা প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না হলে ফুলছড়ি থানা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করার কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
গত ১১ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার কেতকিরহাট মাঝিপাড়া গ্রামে শাহ জালাল মিয়া নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে হত্যার শিকার হন। ঘটনার সময় শাহ জালাল মিয়া বারান্দা-সংলগ্ন কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে গোলাম হোসেনের (৩৫) বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরের পশ্চিম পাশের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহ জালালের গলায় আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই শাহ জালাল মিয়ার মৃত্যু ঘটে। পাশের কক্ষে থাকা তাঁর স্ত্রী চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এর পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন