প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াই সমাপ্ত হয়েছে। এখন ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা শুরু হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালের উত্তেজনার। টুর্নামেন্টজুড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং লিওনেল মেসির মতো তারকারা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন। তবে তাদের পাশাপাশি নজর কাড়ছেন একঝাঁক তরুণ ফুটবলার, যারা নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফিফার ‘ইয়ং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’এর আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন।
স্পেনের ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল ইনজুরির কারণে কিছুটা সীমিত সময়ে মাঠে নামলেও, যখনই তিনি খেলতে নামেন, তখনই প্রতিপক্ষের রক্ষণে দুর্দান্ত ত্রাস সৃষ্টি করেন তিনি। শেষ ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে তিনি নিজেকে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের যোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে পর্তুগালের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেন, এবং তিনি দলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ আটের লড়াইয়ের ক্ষেত্রেও স্পেনের জন্য ইয়ামাল এই তরুণটির বিপরীতে অন্যতম বিশাল ভরসা।
মরক্কোর মাঝমাঠের অন্যতম প্রবল শক্তি হচ্ছে আইয়ুব বুয়াদ্দি। তিনি দুর্দান্ত ফুটবল বুদ্ধিমত্তা, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ-রক্ষণে সমান দক্ষতার সঙ্গে দলের সাফল্যে বিশাল অবদান রেখে চলেছেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে সহ-স্বাগতিক কানাডার বিরুদ্ধে তার অনবদ্য পারফরম্যান্স মরক্কোকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেয়, এবং দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
ফ্রান্সের ২১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ডেজিরে ডুয়ে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটি পেনাল্টি আদায় করেন, যা থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে জয়সূচক গোল করেন। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের আক্রমণে ডুয়ের দিকেই থাকবে বিশেষ নজর।
ম্যানচেস্টার সিটির ২১ বছর বয়সী লেফট-ব্যাক নিকো ও'রিলি ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে তৈরি হয়েছেন নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে। দলের পাঁচ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে তার একটি শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে ফিরে এলেও, পাসিং, ট্যাকলিং ও রক্ষণের দক্ষতায় তিনি ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফর্মার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
বিশ্বকাপ যত শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে ‘ফিফা ইয়ং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’ ঘিরে উত্তেজনা। লামিন ইয়ামাল, আইয়ুব বুয়াদ্দি, ডেজিরে ডুয়ে এবং নিকো ও'রিলি—এই চার তরুণের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত সেরা উদীয়মান ফুটবলারের স্বীকৃতি জিতবেন, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন