প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একজন জ্যেষ্ঠ দূতের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করার পর একটি বড় ইউরোপীয় নিরাপত্তা চুক্তির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, এই বিশাল ও আকর্ষণীয় চুক্তি ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে নয়, বরং পুরো ইউরোপকে অন্তর্ভূক্ত করবে। তবে, হোয়াইট হাউসের এমন আকস্মিক ঘোষণা ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে চরম বিরক্তি ও বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।
সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেন। বৈঠকের আগে, ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয়ে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রশংসা করেন রুশ দূত। বৈঠকের পর ট্রাম্প গণমাধ্যমের সামনে দাবি করেন যে, ইউক্রেন সংকটের সমাধান এবং ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি সুদূরপ্রসারী চুক্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তবে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে। সিএনএনের সঙ্গে আলাপকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ঠিক কোন ধরনের চুক্তির কথা ইঙ্গিত করেছেন বা এর রূপরেখা কী হতে পারে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো ধারণা নেই। তাছাড়া, মস্কোর পক্ষ থেকে বারবার ন্যাটো ও ইউরোপের বর্তমান নিরাপত্তা কাঠামোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সত্ত্বেও, মার্কিন প্রশাসনের এই একক কূটনৈতিক তৎপরতা ইউরোপের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে এই ঘনিষ্ঠ বোঝাপড়া ইউরোপীয় ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। অনেকের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পাশ কাটিয়ে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সূত্র: সিএনএন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন