বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ পি.এম
ফিফা বিশ্বকাপে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের রোমাঞ্চ। কিন্তু শেষ আটে এই অগ্নিপরীক্ষায় নামার পূর্বে এক অদৃশ্য আতঙ্কে বুক কাঁপছে ৮ দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার।
একটি মাত্র হলুদ কার্ড দেখলেই তাদের কপাল পুড়বে। যদি দল সেমিফাইনালে উঠেও যায়, তবে সাইডবেঞ্চে বসে থাকতে হবে এই তারকাদের যাতে সতীর্থরা লড়াই করতে পারেন।
নিষেধাজ্ঞার এই ঝুলন্ত তরবারির নিচে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের পরাশক্তিরা। তবে সবচেয়ে বেশি বুক ঢিপঢিপ করছে থ্রি-লায়ন্স ও মরক্কো শিবিরের সদস্যরা।
দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নকআউট পর্বে ইতিমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে পা মেপে চলতে হবে তাদের। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার আছেন এই খাদের কিনারায়।
উল্লেখ্য, মাঠের ফুটবলকে আরো আকর্ষণীয় করতে এই বিশ্বকাপে কার্ড নীতিতে বড়সড় বদল এনেছে ফিফা। ৩২ দলের চিরচেনা খোলস ছেড়ে এবারই প্রথম ৪৮ দল নিয়ে মাঠে গড়িয়েছে বিশ্বকাপ।
সুতরাং, নকআউট পর্বে যোগ হয়েছে বাড়তি একটি রাউন্ড (শেষ ৩২)। ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে ফুটবলারদের কার্ডের খাঁচায় বন্দি হওয়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।
সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যাতে কোনও দলই তাদের সেরা তারকাদের মিস না করে, সেই কারণে ফিফার এই নতুন নিয়ম। গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই মুছে (রিসেট) দেওয়া হয়েছিল।
এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সেমিফাইনালের আগে আবারও কার্ডের খাতা শূন্য করে দেওয়া হবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা দেখা দেয়। ফলে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা ইতিমধ্যে রেফারি পকেট থেকে হলুদ কার্ড দেখেছেন, তারা আজ কিংবা আগামীকালের ম্যাচে আবারও ‘দুষ্টুমি’ করলেই তাদের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যেতে পারে।
তবে আশার কথা হলো, কোয়ার্টার ফাইনালের পর কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হওয়ায় কার্ডের মারপ্যাঁচে কেউ ফাইনাল মিস করবেন না। শুধুমাত্র সিক্রেট্নেসেসের ক্ষেত্রে সরাসরি লাল কার্ড দেখলেই ফাইনালের মঞ্চে দর্শক হয়ে থাকতে হবে।
আজ ৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের দ্বৈরথ। এরপর ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পর ১৯ জুলাই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মেগাফাইনাল। এখন দেখার বিষয়, নিষেধাজ্ঞার এই ফাঁদ এড়িয়ে কোন ফুটবল তারকা দলকে নিয়ে যেতে পারেন শেষ চারে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার:
ইংল্যান্ড : জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’rাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়ি।
মরক্কো : ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুস।
ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা।
সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম।
আর্জেন্টিনা : গঞ্জালো মন্টিয়েল।
স্পেন : ফেররান তোরেস।
বেলজিয়ান : ব্র্যান্ডন মেচেলে।
নরওয়ে : অ্যান্তোনিও নুসা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাহারাত পরিবারের প্রীতি মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠান গত বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে মাহারাত মডেল মাদ্রাসার প্রধান কার্যালয়ে আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার চেয়ারম্যান ড. নুরুল্লাহ আল-মাদানী।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী জনাব নাজমুল হক খান এবং জনাব মো. জুনায়েদ তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা মাহারাত পরিবারের এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা ও সহযোগিতার পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারা আরও জানান, এ ধরনের প্রীতি মিলনমেলা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে, কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক প্রশান্তি ও নবউদ্যমে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
সবার প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমুখর ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়। মাহারাত পরিবারের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্মিলিত অগ্রযাত্রার প্রত্যয়ে প্রীতি মিলনমেলার সফল সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, খবরে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য তালিকায় ঢাকা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে আমাদের সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পরিবেশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মিল কারখানার কারণে পরিবেশের দূষণ যেভাবে হচ্ছে, সেই বিষয়ে আমাদের সকলের দায় রয়েছে। ইকোসিস্টেমের নিরাপদ লালন ও বিকাশের সঙ্গে মানবসমাজ সম্পর্কিত। বৃক্ষমেলা নিরাপদ ভবিষ্যৎ নির্মাণে বিনিয়োগের প্রতীক। এটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, নৈমিত্তিকভাবে করতে হবে।
তিনি বলেন, সন্তান জন্ম নিলে আমরা তার নামে একটি গাছ লাগাতে পারি। এই ধরনের উদ্যোগ লন্ডনের মতো অন্যান্য স্থানে প্রচলিত আছে।
সরকার গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালুর পরিকল্পনা করে তারেক রহমান আরো বলেন, ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালুসহ একাধিক প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হচ্ছে। নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর, সবুজায়নের লক্ষ্যে সরকার ৫ লক্ষ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা করেছে। আমরা ছাদ বাগান, নগর বনায়ন এবং ইকো ট্যুরিজমকে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবে পরিগণিত করতে চাই। এছাড়া রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তিনি এ সময় বলেন, আকাশমনির মতো অনেক ক্ষতিকর গাছ আছে, যা রোপণের ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে। এছাড়া কোন মাটিতে কোন গাছ রোপণ করা হবে, তা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। দেশীয় গাছ, বিশেষ করে ঔষধিসহ স্থানীয় গাছ রোপণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও জানান, সবকিছু আইন দিয়ে করা সম্ভব নয়, সচেতনতার মাধ্যমে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ২১ জনের হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিহত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ শেষ হতে চলেছে, যা সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার মরদেহ বর্তমান শেষকৃত্যের জন্য নেওয়া হচ্ছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা মাজারে, যা খামেনির জন্মস্থান বলেও পরিচিত। গত রাতে ইরাকের কারবালা ও নাজাফ শহরে খামেনির জানাজাতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার সকালে জানায়, খামেনির মরদেহ বহনকারী বিমানটি ইরাকের নাজাফ বিমানবন্দর থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা দেওয়া হয়েছে। তবে, এই দীর্ঘ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি ডালপালা মেলছে, তা হলো—নিহত আয়াতুল্লাহর ছেলে এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি কি শেষ পর্যন্ত জনসমক্ষে উপস্থিত হবে? দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা একবারের জন্যও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি দেশের মানুষের মনে সন্দেহ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এমন ধারণা করা হচ্ছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় তার বাবা, মা এবং স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন।
মোজতবার প্রথমবার জনসমক্ষে আসাটা ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ момент হবে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি সম্পূর্ণ আড়ালে রয়েছেন এবং কেবল তার নামে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এদিকে, ইরানের ইসলামি প্রচার সমন্বয় পরিষদ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার পবিত্র কোম শহরে একটি বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে, যা নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ ইমাম সৈয়দ মোজতবা খামেনির তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হবে। তবে, এই ঘোষণায় মোজতবা নিজে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার পক্ষে হয়তো অন্য কেউ সভার নেতৃত্ব দেবেন।
তবে কোম শহরে মোজতবার উপস্থিতি একেবারে অসম্ভবও নয়। শিয়া ধর্মীয় শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং ইরানের দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর কোমেই তিনি নিজে পড়াশোনা করেছেন। গত মঙ্গলবারও খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার উপলক্ষে সেখানে লাখো মানুষের ভিড় জমেছিল, তবে সেবারও নতুন সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন অনুপস্থিত। এখন দেখার বিষয়, বাবার শেষ বিদায়ে তিনি শেষ পর্যন্ত ক্যামেরার সামনে আসেন কি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে গৃহবধূ আছমা আক্তার (২৬) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে, তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মুহাসিন উদ্দিন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাহারা গ্রামের ওমর আলী মাতুব্বরের ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পূর্ব বালিগাঁও জামে মসজিদের ইমাম।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব বালিগাঁও এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম শেখের বাড়িতে আছমা আক্তার, তার স্বামী মুহাসিন মাতুব্বর এবং তাদের চার বছরের কন্যা মাইশা আক্তার ভাড়া থাকতেন। প্রায় চার মাস ধরে তারা ওই জায়গায় বসবাস করছিলেন।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, আছমার পূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছিল। বিষয়টি তার স্বামীর কাছে গোপন রাখাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ হতো। ঘটনার আগের রাতেও এশার নামাজের পর পুরোনো একটি জামা পরাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মুহাসিন আছমাকে মারধর করেন।
পিবিআই জানায়, গত ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাস্তা প্রস্তুত না থাকায় আবারও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্ক শুরু হয়। আছমা মাথাব্যথার কথা জানালে মুহাসিন পূর্বের বিয়ে নিয়ে কটূক্তি ও গালিগালাজ করেন। সকাল ১১টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি আছমাকে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং গলায় চেপে ধরেন। ধারাটি ধাক্কা দেওয়ার ফলে আছমা কাঠের পাটাতনের ওপর পড়ে গুরুতর আঘাত পান। এরপর তিনি তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন। তবে তা সম্ভব না হওয়ায় মরদেহ খাটে শুইয়ে রেখে তিনি কন্যা মাইশার সাথে পালিয়ে যান।
এই ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম তালুকদার বাদী হয়ে ৭ জুলাই টঙ্গীবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
পিবিআই প্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং মুন্সীগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহানের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭ জুলাই গোপালগঞ্জের মকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মুহাসিন মাতুব্বরকে গ্রেফতার করে। তার গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে পিবিআই জানিয়েছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ