প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বৃহস্পতিবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছে, যাতে অবৈধ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে ফেরত পাঠানোর (তৃতীয় দেশে বহিষ্কার) ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত সপ্তাহে একটি ফেডারেল আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের ‘তৃতীয় দেশে বহিষ্কার’ নীতির ওপর নিম্ন আদালতের আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল রাখে। এই নীতির আওতায় অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য দেশে পাঠানো হয়ে থাকে।
আপিল আদালতের বিচারকরা বিষয়টি পর্যালোচনা করার সময় নিম্ন আদালতের আদেশের কার্যকারিতার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। তবে বুধবার রাতে আপিল আদালত সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে নিম্ন আদালতের দেওয়া বিধিনিষেধ আবার কার্যকর হয়ে যায়।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সরকার জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে, যাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের ওপর থাকা বিধিনিষেধ স্থগিত রাখা হয়।
সরকারের আইনজীবী জন সাওয়ার বলেছেন, এই বিধিনিষেধের কারণে অভিবাসীদের বহিষ্কারের ক্ষেত্রে ‘বড় ধরনের বাস্তব ও প্রশাসনিক জটিলতা’ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি তৃতীয় দেশে বহিষ্কারকে কিছু অভিবাসীকে—বিশেষ করে গুরুতর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের—যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী লাখ লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর তার প্রশাসন বহিষ্কার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হলো, যেসব অভিবাসীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাদের নিজ দেশ অনেক সময় তাদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে তৃতীয় কোনো দেশে তাদের পাঠানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তবে মার্কিন কংগ্রেসের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে এমন দেশে বহিষ্কার করা যাবে না যেখানে তার জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা তিনি নির্যাতনের শিকার হতে পারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন