প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এবং বিজয়নগর উপজেলার একটি ইউনিয়ন ভেঙে আখাউড়ার ‘বরিশল’ ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
আজ সোমবার সকালে, এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে চার ইউনিয়নের বিক্ষুব্ধ জনতা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দিকে বিশাল পদযাত্রা করেন। তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী মোড় ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে, বিক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি গোপন রাখার অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম রোমা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ চার ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসক মোং আবু সাঈদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল, সুলতানপুর, বাসুদেব এবং বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়ন ভেঙে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন জেলা বিএনপি নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। বক্তাদের মতে, তার এই পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ নতুন উপজেলা গঠনের বিষয়ে পরিদর্শনের জন্য একটি দাপ্তরিকপত্র পাঠিয়েছে। জেলা প্রশাসন বিষয়টি গোপন রেখেছে, যা তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারবেন না।
বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, যদি সদর ও বিজয়নগর উপজেলা ভেঙে নতুন উপজেলা করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা না হয়, তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধসহ আরও কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পুরো জেলাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। তারা বর্তমানের মতো ভবিষ্যতেও সদর উপজেলার সঙ্গেই থাকতে নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন