প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নাটোরের লালপুর শ্রীসুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ প্লাবিত হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের মেঝে এখন হাঁটু সমান পানিতে ডুবে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তোলা। -কালের কণ্ঠ
নাটোরের লালপুর উপজেলায় অবস্থিত লালপুর শ্রীসুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা হাঁটু সমান পানি দেখে। পরে বিষয়টি তারা প্রধান শিক্ষককে জানান। এরপর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রধান শিক্ষক পাঠদান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
বিদ্যালয়টি লালপুর বাজারের পাশে অবস্থিত হওয়ায় বাজারের তুলনায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমি নিচু। সেই জন্য বাজারের পানি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। পানি অপসারণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ একটু বেশি হলেই পানিটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে যায়।
লালপুর শ্রীসুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির পানিতে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব না হওয়ায় সাময়িক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পানি নেমে গেলে পুনরায় স্বাভাবিক হবে পাঠদান।’
এদিকে, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং এই সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বারবার জলাবদ্ধতা হওয়ার কারণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যাবশ্যক।
অন্যথায়, ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে।
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকতউল্লাহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সরজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রধান শিক্ষককে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল মো. রবিউল ইসলাম রবি আবারও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বারবার জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন