প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের সুগন্ধি চাল উৎপাদনের এলাকা ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে আসছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায়, সুগন্ধি চাল উৎপাদনকারী অঞ্চলে কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন।
রোববার সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।
সুগন্ধি চালের বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুগন্ধি চাল উৎপাদনকারী এলাকা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে, কিছু ক্ষেত্রে সুগন্ধি চালের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তবে, সরকার ব্যাপকভাবে সুগন্ধি চাল রপ্তানি করছে না; সামান্য সময়ের জন্য রপ্তানি হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কোন অঞ্চলে কোন ধরনের ফসলের উৎপাদন ভালো হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে কোন ফসল বেশি উপযোগী, তা নির্ধারণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় সারা দেশে জরিপ পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সুগন্ধি চাল উৎপাদন বৃদ্ধির উপায় খুঁজতে খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি মাঠপর্যায়ে কাজ করবে। কমিটির সদস্যরা সুগন্ধি চাল উৎপাদনকারী এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। যেসব এলাকায় এখনও এই চাল উৎপাদন হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে আবাদ অব্যাহত রাখার আগ্রহ বিদ্যমান, সেগুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এসব এলাকার কৃষকদের অতিরিক্ত প্রণোদনা দিয়ে সুগন্ধি চালের আবাদ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব হলে বাজারে সুগন্ধি চালের সংকট ও উচ্চমূল্যের সমস্যা থাকবে না, এই আশাবাদ প্রকাশ করেছেন সরকার।
উৎপাদন এলাকা চিহ্নিত করে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, সুগন্ধি চালের দেশীয় সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন